যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার মানুষ কি বিশ্বকাপ দেখছেন
য দ ধব ধ বস ত গ – মধ্য গাজার একটি বাজারে অন্ধকার প্রায় অপরিহার্য। বিদ্যুৎ স্থায়ী নয়, আরও কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করেছে। কিন্তু চারদিকে আঁধিতে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছেন কয়েক ডজন মানুষ, যাদের চোখ পর্দায় চলছে বিশ্বকাপের ম্যাচ। সোমবার বেলজিয়াম ও মিসরের ম্যাচ দেখছিলেন তাঁরা। গাজার ফুটবলপ্রেমীদের অনেকের প্রিয় খেলোয়াড় মোহাম্মদ সালাহের ম্যাচ নিয়ে আগ্রহ ছিল বেশি। ম্যাচটি ড্র হলেও সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে ভাটা পড়েনি।
ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা মুস্তাফা সিয়াম বলেন, ‘গাজার মানুষের কাছে বিশ্বকাপ কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। ফুটবলপ্রেমীরা ম্যাচ দেখার চেষ্টা করবে, অন্তত কিছু সময়ের জন্য নিজেদের দুঃখ-কষ্ট ভুলে থাকার জন্য।’
যুদ্ধের আগে বড় টুর্নামেন্টে যেমন পরিবেশ থাকত, সেটি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন অস্থায়ী ক্যাফে মালিকেরা। গাজার নুসেইরাত এলাকার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে একটি টেলিভিশনে দেখানো হচ্ছে ম্যাচ। পাশে পুরোনো জেনারেটরের একটানা শব্দ শোনা যায়।
এলাকার এক দর্শক ঈদ আল-আত্তার বলেন, ‘আমরা যতটা সম্ভব বিশ্বকাপের আবহ উপভোগ করার চেষ্টা করি। ছোট-বড় সবাই এই টুর্নামেন্ট ভালোবাসে।’
অনেকেই স্মরণ করেন ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের কথা। তখন গাজা সিটির ফিলিস্তিন স্টেডিয়াম ও ইয়ারমুক স্টেডিয়ামে বড় পর্দা বসানো হয়েছিল। সন্ধ্যার ম্যাচগুলো দেখতে হাজারো মানুষ জড়ো হতেন সেখানে। এখন সেই দৃশ্য আর নেই। কয়েকটি সমুদ্রতীরের ছোট ক্যাফেতে খেলা দেখানো হয় বটে, কিন্তু পুরোনো জেনারেটর প্রায়ই বিকল হয়ে যায়। বিদ্যুৎ চলে গেলে দর্শকেরা হতাশ হয়ে অপেক্ষা করেন, কখন আবার খেলা দেখা যাবে।
যুদ্ধের সময় ধ্বংস হয়ে গেছে এমন অনেক রেস্তোরাঁ ও আড্ডাস্থল রয়েছে, যেখানে একসময় ফুটবল দেখা ছিল নিয়মিত ঘটনা। তাঁবুতে বসবাস করা ৩০ বছর বয়সী মারওয়ান আল-শেখ মনে করেন সেই দিনগুলোর কথা, ‘বন্ধুদের সঙ্গে গাজার জনপ্রিয় ক্যাফেগুলোতে বসে বিশ্বকাপ দেখতাম, তখন আমরা সুখী ছিলাম। এখন আর সেই অনুভূতি নেই। একটা তাঁবুর �
