ময়মনসিংহে রেলপথে ইঞ্জিন বিকল-আগুন, লাইনচ্যুতি যেন নিয়মিত ঘটনা, কারণ কী
ময়মনস হ র লপথ ইঞ জ ন – ময়মনসিংহ রেলপথে চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন লাগা, ইঞ্জিন বিকল হওয়া এবং হুক ভেঙে ইঞ্জিন বিচ্ছিন্ন হওয়া এসব ঘটনায় ট্রেনের সময়সূচি ভেঙে পড়ছে। যাত্রীদের অবরুদ্ধ করে দিচ্ছে ঘটনার তীব্রতা। তথ্য অনুযায়ী এই মাসে দুটি ট্রেন লাইনচ্যুত এবং তিনটি ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়েছে।
এর আগে মে মাসে আটটি এবং এপ্রিলে ছয়টি ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়েছিল। ময়মনসিংহ লোকোশেডের ইনচার্জ মাসুম আহমেদ বলেন, এসব তথ্য স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণ করা হয় না। কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকায় সংরক্ষিত থাকে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইঞ্জিন বিকল বা লাইনচ্যুতির ঘটনা চলতি মাসে তিনটি, গত মাসে আটটি এবং তার আগের মাসে পাঁচটি ট্রেনে ঘটেছে। পরিদর্শক শফিউল হাসান বলেন, অধিকাংশ ইঞ্জিন মেয়াদোত্তীর্ণ। পুরোনো ইঞ্জিন ও দুর্বল রেলপথের কারণে ট্রেন নির্ধারিত গতিতে চলতে পারে না।
রেলপথে বিকল্প ইঞ্জিন ও লাইন সংস্কার আবশ্যক
১৫ জুন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গফরগাঁও এলাকায় গাফরগাঁও জামালপুর এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন ও বগির সংযোগস্থলে হুক ভেঙে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। সেই দিন সন্ধ্যার আগে চট্টগ্রাম থেকে জামালপুরগামী বিজয় এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন লাগে। ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় তিন ঘণ্টা ট্রেন বন্ধ ছিল।
পরে বিকল্প ইঞ্জিনে ট্রেনটি চালানো হলেও কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের সরারচর এলাকায় সেটিও বিকল হয়ে পড়ে। ইঞ্জিনসংকটের কারণে সেদিন চট্টগ্রামগামী ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস মেইল ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়।
১৩ জুন ময়মনসিংহ স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা তিস্তা এক্সপ্রেসের এসি চেয়ার কোচে আগুন লাগে। আনন্দ মোহন কলেজ রেলক্রসিং এলাকায় জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসের একটি পাওয়ার কার লাইনচ্যুত হয়। উদ্ধারকারী ট্রেনও কৃষ্টপুর এলাকায় লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে।
রেলওয়ে সূত্র অনুযায়ী ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা, জামালপুর, নেত্রকোনা ও চট্টগ্রাম রুটে ১৮ জোড়া ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে রয়েছে আটটি আন্তনগর ট্রেন, চারটি কমিউটার, একটি মেইল ও পাঁচটি লোকাল ট্রেন। ইঞ্জিন ও কোচের সংকটে দুটি মেইল ট্রেন এবং দুটি লোকাল ট্রেন বন্ধ আছে।
নতুন ইঞ্জিন ও রেলপথ সংস্কার জরুরি
রেলওয়ে কর্মকর্তারা
