মোহাম্মদপুরে আপনাকে স্বাগত
ম হ ম মদপ র আপন ক – যুবকদের জীবনে কোন সময়ই বিশ্বাস করা যায় না বলে মনে হয়, যেমন ভার্সিটির পর সময়টি ছিল তাদের জন্য আঁতারা সময়। সংকটের মধ্যে দুই বন্ধু খুব আস্তবে ভাবত। কী করব, কোথায় চাকরি হবে, বিসিএস দেব, নাকি অন্য বিষয় শুরু করবে সেটা আলোচনা করে রাত পার হয় না। সিলেটি বন্ধুটি চিন্তা করে না, কারণ কিছু হলে ভালো, নাকি লন্ডনে চলে যাবে। আরেকজন মোহাম্মদপুরে বাসা ভাড়া করে, এর পরিকল্পনা ছিল ছিনতাই শুরু করা। তার কাছ থেকে জানা গেল যে সপ্তাহে দুই রাত ছিনতাই করলে নাকি যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চাকরি থেকে বেশি আয় হয়।
লিমন নামে বন্ধুটি আমার সঙ্গে দেখা করে ঢাকায় আসার পর। কিছুদিন আগে তার বিয়ে হয়েছিল সে বিষয়ে জানার পর পুনর্মুখোচ্ছেদ করেছিলাম। তার বাসায় কী করা হচ্ছে সেটা জানতে চেয়েছিলাম, কিন্তু লিমন কেবল হাসতে থাকে। তার বাবা কানকাটা ওসমানের গ্যাংয়ে যোগ দেওয়া হয়েছিল বলে জানায়, কিন্তু মোহাম্মদপুরে ব্যবসা চালানো হয় বলে মনে হয়। সামনে প্রথম আইফোন রফিক নামে ছিনতাইকারী হিসেবে বেতন ৩৫ হাজার পায়। রাতের গাজন ফ্রি থাকে এবং ফোন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
“আমার তো চাকরি হয়ে গেছে দোস্ত।”
বাবা খুব স্বাভাবিক বলেছিলেন, কেউ চাকরি করতে নারাজ হয় না তার ছেলেকে। অ্যান্ড্রয়েড ফোন ভাইয়ের খুব বিরক্ত ছিল, কারণ তা স্লো হয়ে যায় এবং বিক্রির সময় ভালো দাম পাওয়া যায় না। এই কারণে ছিনতাই করা যায় কিন্তু ছেলেটা ভালো স্বভাবের জন্য পুনরায় বাবা করেছিল। ছেলেটি আমার ফোন নিয়ে সেলফি নেওয়ার জন্য বলে ছিল, ফোন রেখে দিলে ছবি তুলে নিব। রাতে আপলোড করব। লাইক করে দিন।
লিমন মোহাম্মদপুরে ছিনতাই করতে গিয়ে এই এলাকার ছোট ছেলেরা অনেকে চোর হিসেবে পরিচিত। পুলিশ কিছু করতে পারে না বলে মনে হয়, কারণ রিস্ক অনেক কম হয়েছে। ছিনতাইকারীদের মার্কেটিং করে না, কারণ এলাকার সার্বিক বিজনেসের জন্য আরও কম ক্ষতি হয়।
পরে রাস্তার মোড়ে ব্যানার দেখে আমি চমৎকার আনন্দে হতভম্ব হয়েছিলাম। “মোহাম্মদপুরে আপনাকে স্বাগত” লেখা ব্যানারে নিচে ছোট করে লেখা ছিল—“নিজ দায়িত্বে মোবাইল, মানিব্যাগ ও দামি জিনিসপত্র রক্ষা করুন।” স্পনসরদের নাম ছিল আইফোন রফিক, কানকাটা ওসমান ও টাকলা মফিজ। এই ব্যানারটি �
