‘প্রতিটি হানিমুন কি সুইজারল্যান্ডেই হতে হবে?’
প রত ট হ ন ম ন – প্রতিটি হানিমুন নামে পরিচিত অভিনেতা কমল হাসান ভারতীয় চলচ্চিত্র সংঘাতে চাপ পড়তে চলছে। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের আবহে চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠানগুলির খরচ কমানো প্রয়োজন হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্প্রতি পেট্রল-ডিজেল সাশ্রয় ও বিদেশি সফর এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন, যার প্রভাব চলচ্চিত্র উৎপাদনেও পড়তে পারে। হানিমুন নামক অভিনেতা স্পষ্ট করে বলেছেন যে, সিনেমার জন্য ব্যয় করা সব রুপি বাস্তব প্রয়োজনের জন্য হবে এবং আতিশয্য দেখানোর কারণে খরচ বাড়ানো নিষিদ্ধ।
সিনেমা উৎপাদনে খরচ কমানোর প্রয়োজন
হানিমুন বলেন যে, ভারতীয় চলচ্চিত্র উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও ব্যয় কমানো প্রয়োজন। তিনি বিদেশে শুটিং করার প্রবণতার প্রশ্ন উপস্থাপন করেছেন এবং মন্তব্য করেছেন যে, সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করা মানুষদের ওপর ব্যয়সংকোচনের প্রভাব পড়া উচিত নয়। এ নিয়ে বিতর্ক বিস্তার পেয়েছে, যেহেতু অনেক ছবির বাজেট তুলনামূলক আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও বলেছেন যে, প্রতিটি হানিমুন এবং প্রতিটি সুইজারল্যান্ডে গৃহীত আকারে সমাপ্ত হতে পারে।
“প্রতিটি প্রেমের গল্প কি শুধু প্যারিসেই গড়ে উঠতে পারে? প্রতিটি হানিমুন কি শুধু সুইজারল্যান্ডেই হতে হবে?”
বাজেট কমানোর প্রস্তাব এবং বিশ্লেষণ
হানিমুনের আহ্বান প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়া হিসাবে ইন্ডাস্ট্রির চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, প্রতিটি ছবির বাজেট বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এ কারণে দর্শকদের বিনোদনের খরচের ধরনও পরিবর্তন হতে পারে। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, ছবি প্রয়োজনে বিলাসিতা কমানো সম্ভব। এ ধরনের পরিবর্তন কিছু পরিচিত প্রযোজকের প্রতিক্রিয়া পেয়েছে এবং কিছু কমল হাসানের প্রস্তাব গ্রহণ করার প্রচেষ্টা চলছে।
ভারতীয় চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে বর্তমানে সমস্যার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও প্রতিটি হানিমুন সংক্রান্ত আলোচনা পরিচিত প্রযোজকদের মধ্যে চালানো হচ্ছে। হানিমুন বলেন যে, সামগ্রিক খরচ কমানোর জন্য একত্রে সমাধান খুঁজে পাওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও যুক্তি দিয়েছেন যে, প্রতিটি হানিমুনে সিনেমা পরিচালনা করতে হবে না বলে আতিশয্য কমানো এবং সংক্ষিপ্ত সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
গত বছর মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘ঠগ লাইফ’-এ কমল হাসানের শেষবার দেখা গিয়েছিল। আগামী দিনে রজনীকান্তের সঙ্গে একটি ছবিতে তাঁকে দেখা যাবে। ছবিটি পরিচালনা করছেন নেলসন দিল�
