প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে, কী আছে সেখানে
প রধ নমন ত র য চ – ১৩ জুন ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় থেকে প্রথম সাফারি পার্ক গড়ে উঠেছিল কক্সবাজারের ডুলাহাজারায়। পার্কটি দেশের প্রথম সাফারি পার্ক হিসেবে পরিচিত। এখানে পাহাড়, বন, জলাধার ও উন্মুক্ত পরিবেশে বিচরণকারী শত শত প্রাণী থাকার কথা বলা হয়েছে।
এই সাফারি পার্কের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে। প্রথম দিকে বন বিভাগ একটি হরিণ প্রজননকেন্দ্র তৈরি করেন। এরপর সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরবর্তী দশকগুলোতে পার্কের আয়তন বাড়ানো হয় ৯০০ হেক্টর পর্যন্ত। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ক্রমাগত চালু হয়। ২০১৬ সালে এখানে ১০ বছরের মেয়াদি মহাপরিকল্পনা অনুমোদন পায়।
বর্তমানে পার্কে অবস্থিত জেলা ডুলাহাজারা এখন দেশের বড় বন্য প্রাণী সংগ্রহশালাগুলোর মধ্যে একটি। পার্ক কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করেছে যে এখানে বিভিন্ন বেষ্টনীতে রয়েছে ৫২ প্রজাতির ৩৪১টি প্রাণী। সেগুলোর মধ্যে সিংহ, বাঘ, জেব্রা, ওয়াইল্ডবিস্ট, জলহস্তী, কুমির, অজগর, হাতি, ভালুক, ময়ূর ও হরিণ রয়েছে। উন্মুক্ত এলাকায় বিচরণ করছে আরও ১২৩ প্রজাতির প্রায় এক হাজার প্রাণী।
এখানে ৭টি বাঘ, ৬টি সিংহ ও ২৪টি ভালুক রয়েছে। এ ছাড়া জলহস্তী, কুমির, সাম্বার হরিণ, নীলগাই, বুনো শূকর, বানর, সরীসৃপ ও নানা প্রজাতির পাখি আছে।
পার্কে প্রাণী সাফারি জোন সবচেয়ে জনপ্রিয় অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের বিশেষ যানবাহনে বসে নিরাপদ দূরত্বে হাতি, ভালুক এবং তৃণভোজী প্রাণীদের বিচরণ দেখতে পাওয়া যাবে। টিকিটের দাম ৫০ টাকা থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত হয়।
বৃক্ষ ও উদ্ভিদবৈচিত্র্যের গুরুত্ব
অনেকে ডুলাহাজারা পার্কটিকে বাঘ, সিংহ ও হাতির আবাস হিসেবে চিনেন। কিন্তু সম্প্রতি গবেষণা দেখিয়েছে এটি দেশের উদ্ভিদবৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ ভান্ডারও। পার্কের আয়তন ৯০০ হেক্টর হয়েছে। বিশেষ জায়গা হিসেবে এখানে শত শত প্রজাতির দেশীয় গাছপালা, ঝোপঝাড়, লতাগুল্ম ও অর্কিড রয়েছে।
২০২৩ সালে প্রকাশিত গবেষণায় প্রকাশ করা হয়েছে যে পার্কটিতে প্রাকৃতিকভাবে বন পুনরুজ্জীবনের ভালো সক্ষমতা রয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকে
