যুবদলে কমিটি ঘোষণার এক মাসে নেতৃত্বের ভেতরকার বিবাদ প্রকাশ্যে
প র ণ ঙ গ কম ট – বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার এক মাসের মধ্যে নেতৃত্বের ভেতরে বিবাদের চিহ্ন প্রকাশ পেয়েছে। সারা দেশে সাংগঠনিক সপ্তাহ পালন শেষে গত রোববার নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি পর্যালোচনা সভায় উত্তপ্ত আলোচনা সূত্রপাত হয়।
বিতর্কের উৎস নির্ধারণে ভিন্ন মত উঠেছে
সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রগুলি বিতর্কের কারণ নিয়ে বিভিন্ন ধারণা জানায়। একটি সূত্র অনুযায়ী, ফিরোজ আবদুল্লাহকে ফরিদপুর বিভাগের সাংগঠনিক টিমের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। রোববারের সভায় তিনি ঢাকা বিভাগের কার্যক্রম নিয়ে অযাচিতভাবে মত দেওয়ার ফলে বিতর্ক শুরু হয়।
নুরুল ইসলাম (নয়ন) সভাপতি ফিরোজ আবদুল্লাহকে সতর্ক করে বলেন, ‘তুমি সভাপতির স্বাক্ষরে সহসভাপতি হয়েছ, তাই সঠিক ভাবে চলবে।’
আবার একটি সূত্র বলে, ফিরোজ আবদুল্লাহর মন্তব্যের পর সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম তাঁকে উত্তপ্ত হওয়ার কারণ হিসেবে তুলে ধরেন। এতে সভার আবেশ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
ঘুরে দাঁড়িয়ে বিশ্লেষণ করা হয়
গত ৪ জুন ঘোষণা করা হয় যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি। কমিটি ঘোষণার এক মাস পর ৫ জুলাই অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি ও সাংগঠনিক পরিচালনা নিয়ে নেতৃত্বের মধ্যে মতভেদ প্রকাশ পেয়েছিল।
যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা হয়েছে সভায়। অনেকে নিজেদের মত জানান। কিন্তু কিছু মিডিয়া সংগঠন সম্পর্কে সিন্ডিকেট প্রতিবেদন করেছে।’
সাংগঠনিক সপ্তাহের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে নেতৃত্ব বসেছিল। সেই সভায় নেতাদের কাছে এ বিষয়ে বিশেষ অভিযোগ উঠেছে। কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে সেই সংখ্যা ৩০–৩৫ জনের মতো ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাদের রাজনৈতিক অবস্থান বা পরিচয় নেই।
এতে আবার বলা হয়েছে যে তাদের বড় ভাগ সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় পদ পেয়েছেন। তার কারণে বিতর্ক আরও চালু হয়।
আজ সোমবার বিকেল থেকে নয়াপল্টন কার্যালয়ে মুলতবি সভা হয়। সেই সভা থেকে ভিডিও কলে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলেন সভাপতি আবদুল মোনায়েম। তিনি নিজ সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতাদের দেখিয়ে বলেন যে সভার মধ্যে কোনো বিরোধ নেই।
