নবজাতকের সঠিক স্তন্যদান পদ্ধতি ও সাধারণ ভুল ধারণা
Banglaprabah.com – নবজ তকক ব ক র দ ধ – শিশু জন্মের পরপরই যখন দুধ খেতে অসমর্থ হয়, তখন পরিবারের সদস্যরা অস্থির হয়ে পড়েন। এই পরিস্থিতিতে তারা দ্রুত কৌটার দুধ খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু গরুর দুধ শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। অন্যদিকে মায়ের স্তন্যদান শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবছরের মতো এবারও ১ থেকে ৭ আগস্ট মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালিত হচ্ছে। এই সময়ে শিশুকে সঠিকভাবে স্তন্যদান করানোর নিয়ম ও সাধারণ ভুল ধারণাগুলো জানা জরুরি।
স্তন্যদান সংক্রান্ত সাধারণ ভুল ধারণা
অনেক সময় দেখা যায় শিশু মায়ের দুধ খাচ্ছে কিন্তু সারা দিন বারবার পাতলা পাখানা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আত্মীয়স্বজন ও ডাক্তাররা মনে করেন শিশু মায়ের দুধ সহ্য করছে না। তারা দুধ বন্ধ করে দিতে পরামর্শ দেন। আসলে মায়ের দুধে বেশি পরিমাণে ল্যাকটোজ থাকে, যা শিশুর বিকাশে সাহায্য করে। ল্যাকটোজের উপস্থিতিতে শিশুর নরম পাখানা হওয়া স্বাভাবিক। এমনকি ২৪ ঘণ্টায় ২৪ বারও একটু একটু করে পাখানা হতে পারে, এতে চিন্তার কিছু নেই।
আবার অনেক সময় দেখা যায় শিশু মায়ের দুধ পাচ্ছে কিন্তু মুখে নিতে চাচ্ছে না এবং কান্নাকাটি করছে। আবার অনেক সময় দেখা যায় মায়ের স্তনের বোঁটা ফেটে গেছে, শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় মা খুব কষ্ট পাচ্ছেন। মায়ের দুধ সঠিকভাবে খাওয়ানোর কিছু নিয়ম আছে, এটাকে বলা হয় ‘পজিশন অ্যান্ড অ্যাটাচমেন্ট’।
স্তন্যদানের সঠিক পদ্ধতি
মা শিশুকে এমনভাবে কোলে নেবেন যেন শিশুর মাথা মায়ের হাতের কনুইয়ের ওপর থাকে। পুরো হাত দিয়ে শিশুর শরীরে সাপোর্ট দেবেন। শিশুর শরীর মায়ের দিকে ফেরানো থাকবে এবং শিশুর থুতনি মায়ের স্তন স্পর্শ করবে। অন্য হাত দিয়ে মা তাঁর স্তনকে সাপোর্ট দেবেন। এখানে একটি কৌশল হলো স্তন ধরার ক্ষেত্রে ৪ আঙুল নিচে, বুড়ো আঙুল ওপরে থাকবে। এভাবে ধরলে স্তনের বোঁটা ও তার ওপরের কালো অংশ শিশুর মুখের ভেতর থাকবে। এতে করে শিশু পর্যাপ্ত দুধ পাবে এবং মায়ের বোঁটা ফেটে যাবে না।
শিশুর ঘুম ও কাঁদার কারণ
জন্মের পর শিশু ২২ ঘণ্টা ঘুমায়, এটা স্বাভাবিক। ঘুম থেকে তুলে শিশুকে খাওয়াতে চেষ্টা করবেন না। অনেক ডাক্তারও বলেন ২ ঘণ্টা পরপর দুধ খাওয়াতে। কিন্তু অপেক্ষা করা উচিত। শিশু ঘুম থেকে উঠে হাত–পা নাড়বে, মুখে আঙুল দেবে, বোঝাবে আমি ক্ষুধার্ত, তখনই খেতে দেবেন। সে যতই ছোট হোক না কেন, তাকে বুঝতে চেষ্টা করুন।
শিশু দুধ পাচ্ছে না, এই অভিযোগ নিয়ে অনেক সময়ই মা–বাবা ডাক্তারের কাছে যান। শিশু কেন এত কাঁদে, তাঁরা বুঝতে পারেন না। মনে রাখবেন শিশু যদি ২৪ ঘণ্টার ৬ বার প্রস্রাব করে, তাহলে ধরে নিতে হবে সে দুধ পাচ্ছে। কান্নার অন্য কারণ থাকতে পারে, সেটা খুঁজে দেখুন।
বোতলে বুকের দুধ ও সংরক্ষণ
অনেক সময় মায়েরা বুকের দুধ পাম্প করে বের করে বোতলে ভরে খাওয়ান। তবে ফিডার দিলে শিশু বুঝতে পারে না আসল মা কোনটা। সহজ হয় বলে শিশু ফিডার টানে। ফিডারে অভ্যস্ত হলে সে মায়ের দুধ টেনে খেতে চায় না। শিশু মায়ের দুধ টানলে প্রোল্যাকটিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা দুধ আরও বাড়াতে সাহায্য করে। মায়ের দুধ না টানলে একসময় দুধ শুকিয়ে যায়।
মা যদি বাইরে যেতে হয়, তাহলে দুধ বের করে কাপে রেখে যাবেন। শিশুর প্রয়োজনে অন্যরা সেই দুধ তাকে খাওয়াতে পারবেন। মায়ের দুধ বাইরে ৬ ঘণ্টা, রেফ্রিজারেটরে ১২ ঘণ্টা সংরক্ষণ করা যায়। বাড়ির মুরব্বিরা অনেক সময় শিশুকে অন্য রুমে রেখে মাকে বিশ্রামের সুযোগ করে দেন। তবে সফলভাবে শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়াতে চাইলে শিশুকে অবশ্যই মায়ের সঙ্গে একই রুমে, একই বিছানায় রাখতে হবে। এতে শিশু যখন প্রয়োজন তখনই খেতে পারবে। মায়ের শরীরের উষ্ণতায় শিশু বড় হবে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is নবজ তকক ব ক র দ ধ?
নবজ তকক ব ক র দ ধ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does নবজ তকক ব ক র দ ধ matter?
নবজ তকক ব ক র দ ধ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
