Uncategorized

পরিচয় থাকার পরও ‘বেওয়ারিশ’ দুলালী, রেখে গেলেন অনেক প্রশ্ন

পরিচয় থাকার পরও বেওয়ারিশ হিসেবে দুলালী অসহায় মেয়ে মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়েছিলেন স্বামীর ঘর থেকে পর চয় থ ক র পরও ব - মা জানতেন না তাঁর হারিয়ে যাওয়া মেয়ে

Desk Uncategorized
Published June 12, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পরিচয় থাকার পরও বেওয়ারিশ হিসেবে দুলালী

অসহায় মেয়ে মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়েছিলেন স্বামীর ঘর থেকে

পর চয় থ ক র পরও ব – মা জানতেন না তাঁর হারিয়ে যাওয়া মেয়ে রাজধানীর একটি ফুটপাতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। ভাই জানতেন না শেষবিদায়ের আগেই বোনকে বেওয়ারিশ হিসেবে কবর দেওয়া হবে। এই দুলালী যে নারী নিজেকে নাম ভুলে গিয়ে ‘দুলালী’ বলতেন তিনি হয়তো জানতেন না তাঁর চিকিৎসার জন্য এক যুবক এক এক করে আটটি হাসপাতাল ঘুরেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন তুলেছিলেন মুছা করিম

গত ২২ মে সকালে মিরপুর ২ নম্বর সেকশনের ৬০ ফিট সড়কের পাশে শামীমাকে দেখতে পান সমাজসেবামূলক সংগঠন হিরোজ ফর অলের ডেভেলপমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর মুছা করিম (রিপন)। তাঁর হাড় জিরজিরে শামীমা কিছু খেতে পারছিলেন না। মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে তাঁর স্থায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়নি।

‘নো হেলথ উইথআউট মেন্টাল হেলথ।’ তাতে ইংরেজিতে লেখা ছিল। আর বাংলায় লেখা ছিল— ‘দুলালীকে বাঁচাতে চাই, দুলালী কেন চিকিৎসা পাচ্ছে না, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাব চাই।’

মুছা করিম দুলালীকে সুপারম্যাক্স হেলথকেয়ার লিমিটেডে চিকিৎসা শুরু করতে গিয়েও তাঁকে রাখা হয়নি। কেরানীগঞ্জ থেকে কাজীপাড়ার এক্সিম ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি করার পরও রোগী রুমে থাকতে চাইছেন না এবং পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরামর্শ দেন মানসিক হাসপাতালে নেওয়ার জন্য। কিন্তু এনআইডি ও আইনগত অভিভাবক না থাকায় ভর্তি করানো সম্ভব হয়নি বাবর রোডের নিরাময় ক্লিনিকে।

মানসিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতা সামনে এসেছে

২৯ মে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয় দুলালীকে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে হাসপাতালে দুলালীকে দেখতেও গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। কিন্তু তত দিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে দুলালীর। পরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়। তিনি ছিলেন ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি গ্রামের মেয়ে। যশোরের কেশবপুরেও তাঁর আরেকটি ঠিকানা পাওয়া যায়।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে স্বামীর ঘর ছেড়ে এসেছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন দুলালী। তখন থেকেই তাঁকে পরিবারের কাছে নিখোঁজ বলে মনে হয়। তিনি হারিয়ে ফেলেছিলেন নিজের আসল নাম শামীমা নাসরিন জাহান বলে সামনে দাঁড়ানো হয়। অবহেলা ও ক্ষুধা তাঁর জীবন ধ্বংস করে

Leave a Comment