ঢাকার মাসব্যাপী বৃক্ষমেলায় কত চারা বিক্রি, কত আয়
ঢ ক র ম সব য প - আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে গতকাল রোববার (৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী বৃক্ষমেলা সমাপ্ত হয়েছে। বন
Table of Contents
ঢাকায় বৃক্ষমেলায় ১৬ লাখ চারা বিক্রি, ঔষধি গাছের চাহিদা শীর্ষে
Banglaprabah.com – ঢ ক র ম সব য প – আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে গতকাল রোববার (৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী বৃক্ষমেলা সমাপ্ত হয়েছে। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এবারের মেলায় মোট ১৬ লাখ গাছের চারা বিক্রি হয়েছে। এর আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি টাকা।
গত ৯ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করেন। এবারের মেলায় ৭৪টি স্টল অংশ নিয়েছে। গত বছর এই মেলায় ১৫ লাখ চারা বিক্রি হয়েছিল। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এবার ১ লাখ চারা বেশি বিক্রি হয়েছে।
ঔষধি গাছের চাহিদা সর্বোচ্চ
এবারের মেলায় সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ঔষধি গাছের চারা। হোসেন নার্সারির স্বত্বাধিকারী সাদ্দাম হোসেন প্রথম আলোকে জানান, ক্রেতার চাহিদার শীর্ষে ছিল ঔষধি গাছের চারা। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ‘ইনস্যুলিন প্ল্যান্ট’। এ ছাড়া বিক্রি হয়েছে হরীতকী, বহেড়া, তুলসী, নিম, নিশিন্দা, ওরেগ্যানো, করোসেল, পাথরকুচির মতো চারা।
মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন হচ্ছে উল্লেখ করে সাদ্দাম হোসেন বলেন, এ কারণে ভেষজ–ঔষধি গাছের চাহিদা বাড়ছে।
শ্রেষ্ঠ স্টল নির্বাচিত
এবারের বৃক্ষমেলায় ডাবল স্টল (১২০ ফুট দৈর্ঘ্যের স্টল) ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছে ‘হোসেন নার্সারি’। তারা এবারের মেলায় বিক্রি করেছে ৯৪ হাজার গাছের চারা। অর্থাৎ ৯২ লাখ টাকা। চারার প্রজাতির বৈচিত্র্য ও বিক্রি বিবেচনায় স্টলটি এ পুরস্কার পেয়েছে। ১ হাজার ৪০০ প্রজাতির গাছের চারা দিয়ে স্টলটি সাজানো হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল ফলদ, বনজ, অর্নামেন্টাল, অর্কিড, বনসাই, ঔষধি গাছের চারা।
এবারের মেলায় সিঙ্গেল স্টল (৬০ ফুট দৈর্ঘ্যের স্টল) হিসেবে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়েছে ‘বিসমিল্লাহ নার্সারি’। এর স্বত্বাধিকারী নিক্সন আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর স্টলেও ঔষধি গাছের চাহিদা ছিল বেশি। হরীতকী, বহেড়া, অশ্বগন্ধা, নাগেশ্বর, কর্পূর, হাজগোড়সহ মোট ৩৫ প্রজাতির ঔষধি গাছের চারা তাঁরা এবার বিক্রি করেছেন।
এবারের মেলায় বিসমিল্লাহ নার্সারি ১৫ হাজার গাছের চারা বিক্রি করেছে বলে জানান নিক্সন আহমদ। তিনি বলেন, এবার ফলদ গাছের চারারও ভালো চাহিদা ছিল। বিশেষ করে রামবুটান, পার্সিমন, অ্যাভাকাডো ও আঙুরের চারা বেশি বিক্রি করেছেন তাঁরা।
মন্ত্রীর ভাষণ
গতকাল মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, এবারের বৃক্ষমেলায় জনসমাগম ও গাছের চারার বিক্রি প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেছে।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের অঙ্গীকার করা হয়েছে। এই অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বৃক্ষরোপণের যে লক্ষ্যমাত্রা, তা বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে।
সবাই মিলে চারা রোপণ করা হলে, চারার যত্ন নেওয়া হলে ২০৩৫ সালের আগেই দেশ ২৭ শতাংশ বৃক্ষ আচ্ছাদনে উন্নীত হবে বলে আশা করেন মন্ত্রী।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ঢ ক র ম সব য প?
ঢ ক র ম সব য প is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ঢ ক র ম সব য প matter?
ঢ ক র ম সব য প matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
