Uncategorized

হরমুজ নিয়ে চুক্তি ‘শিগগিরই’, তবে এখনই নৌপথ খুলছে না ইরান

হরম জ ন য় চ ক ত - হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওমানের সাথে ইরানের আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেই যে নৌপথটি স্বাভাবিকভাবে

Desk Uncategorized
Published August 9, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. ইরান ও ওমানের হরমুজ চুক্তি: নৌপথ খোলার শর্তাবলী
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

ইরান ও ওমানের হরমুজ চুক্তি: নৌপথ খোলার শর্তাবলী

Banglaprabah.com – হরম জ ন য় চ ক ত – হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওমানের সাথে ইরানের আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেই যে নৌপথটি স্বাভাবিকভাবে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে, তা নয়। তেহরান থেকে গতকাল শনিবার এই অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা গত শুক্রবার জানান, ওয়াশিংটন আশা করছে ইরান ও ওমানের মধ্যে শিগগিরই একটি চুক্তি হবে। দেশ দুটি এই প্রণালির দুই পাশে অবস্থিত। চুক্তিটি হলে তেলের স্বাভাবিক পরিবহন আবার শুরু হতে পারে।

ইরানের দাবি ও শর্তাবলী

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, প্রণালি দিয়ে নতুন একটি জাহাজ চলাচলের রুটের বিষয়ে ইরান ও ওমান চুক্তির ‘খুব কাছাকাছি’ রেখেছে। তবে পথটি আবার খুলে দেওয়ার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়সহ অন্যান্য শর্তের ওপর নির্ভর করছে।

যুক্তরাষ্ট্র যখনই ইরানের শর্তগুলো মেনে নেবে, হরমুজ প্রণালি নিশ্চিতভাবেই আবার খুলে দেওয়া হবে।

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার সচিব মোহাম্মদ বাঘেরি জোলকাদর হরমুজ খুলে দেওয়ার জন্য কিছু দাবির কথা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে রয়েছে—ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি বন্ধ করা; ইরান এবং তার লেবানিজ, ফিলিস্তিনি, ইয়েমেনি ও ইরাকি মিত্রদের ওপর আগ্রাসন বন্ধ করা; ইরানের ওপর থেকে অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং ইরানের আটকে থাকা সম্পদ মুক্ত করা।

ওমানের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া

ওমানের ইতিবাচক আলোচনার খবর, জাহাজে হামলার নিন্দা প্রণালি পার হওয়ার সময় জাহাজগুলো বারবার হামলার নিন্দা জানিয়েছে ওমান। তবে এর জন্য তারা কাউকে সরাসরি দায়ী করেনি। ওমান বলেছে, হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা নিয়ে ইরানের সাথে তাদের আলোচনা ‘ইতিবাচক ও গঠনমূলক’ হয়েছে।

ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে, এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত থাকার ওপর জোর দিচ্ছে ওমান। আলোচনাটি এমনভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যেখানে সব পক্ষের স্বার্থের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি বলেন, প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের আগের নিয়মটি তেহরানের কাছে আর গ্রহণযোগ্য নয়। একটি স্থায়ী রুটের প্রযুক্তিগত ও আইনি সমস্যাগুলো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ওমানের সাথে একটি অস্থায়ী রুট নিয়ে আলোচনা করছে ইরান।

সাম্প্রতিক জাহাজে হামলা ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

চুক্তি নিয়ে এসব আশা জাগানো কথার মধ্যেই গতকাল হরমুজ প্রণালিতে আরেকটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার মধ্য দিয়ে যে যুদ্ধের সূচনা হয়, তা অবসানে একটি বৃহত্তর চুক্তি জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। আর সেই চুক্তির অংশ হিসেবেই হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যকার সমঝোতাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গতকাল সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তাদের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানির একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় ইরান তাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এটি ছিল ওই পথে জাহাজের ওপর সর্বশেষ হামলা। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য নজরদারি সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, অজ্ঞাত কোনো বস্তুর আঘাতে একটি জাহাজে আগুন ধরে গিয়েছিল। তবে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়েছে এবং এ ঘটনার পরিবেশের কোনো ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

মার্কিন অবরোধ ও মানবিক সহায়তা

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প প্রশাসন বারবার ইঙ্গিত দিয়েছে যে প্রণালিটি খোলার বিষয়ে একটি চুক্তি খুব কাছাকাছি। কিন্তু ইরান বরাবরই এমন কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করে এসেছে। তবে আলোচনার এই নতুন তরঙ্গ কোনো দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিয়ে আসবে কি না, তা এখনো অস্পষ্ট। শুক্রবার মার্কিন ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ‘বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা দূর করতে একবার চুক্তির ঘোষণা এলেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেবে।’ ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ নির্ভর করবে ইরান তাদের প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়ন করে, তার ওপর।’ গতকাল মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, বর্তমান অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা মানবিক সহায়তা নিয়ে ৩০টির বেশি জাহাজকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেন্ট্রাল কমান্ড আরও জানায়, মার্কিন বাহিনী ৫৩টি জাহাজ ফিরিয়ে দিয়েছে, ২টি জাহাজ বিকল করে দিয়েছে এবং অন্য ২টিতে তল্লাশি চালিয়েছে।

ইরানের অবস্থান ও প্রেসিডেন্টের মন্তব্য

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী মূলত এসব জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে। গতকাল তারাও জানিয়েছে, প্রণালিটি আবার খুলে দেওয়া নির্ভর করছে ওয়াশিংটন ইরানের শর্তগুলো মেনে নেয় কি না, তার ওপর। ইরান-ওমান আলোচনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থার মতে, বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যখনই ইরানের শর্তগুলো মেনে নেবে, হরমুজ প্রণালি নিশ্চিতভাবেই আবার খুলে দেওয়া হবে।’ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, চুক্তি করার জন্য এখনই সেরা সময় বলে তিনি মনে করেন। ইরানের বার্তা সংস্থাগুলো তাঁর উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘দেশে এখন সংহতি, শক্তি ও ঐক্য বিরাজ করছে। আর যত দূর আমি জানি, এই যুদ্ধে ইরানকে বিজয়ী ও শক্তিশালী হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।’ যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে উপসাগরীয় দেশগুলো ও জর্ডানে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো হামলা চালিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে এই সংকীর্ণ প্রণালিতে চলমান জাহাজেও হামলা চালিয়েছে তারা। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়েই যেত।

Frequently Asked Questions

What is হরম জ ন য় চ ক ত?

হরম জ ন য় চ ক ত is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does হরম জ ন য় চ ক ত matter?

হরম জ ন য় চ ক ত matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment