একজন মুমিন যেভাবে সময় কাজে লাগায়
জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ কী?
একজন ম ম ন য ভ ব – অনেকে হয়তো মনে করেন জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হল অর্থ, বৈভব বা ক্ষমতা। কিন্তু গভীরভাবে চিন্তা করলে বোঝা যায়, জীবনের সবচেয়ে অপূর্ব সম্পদ হলো সময়। কারণ হারিয়ে যাওয়া অর্থ বা সম্পদ আবার অর্জন করা সম্ভব, কিন্তু জীবনে একটি একক মুহূর্তও ফিরে আসে না।
আল্লাহর সময়ের শপথের গুরুত্ব
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ–তাআলা বিভিন্ন সময় বিভাজনে শপথ করেছেন। কখনো ফজরের সময়, কখনো আসরের মুহূর্তে, আবার কখনো রাতের প্রার্থনার সময়। শপথ করার মাধ্যমে আল্লাহ মানুষকে সতর্ক করেছেন যে, জীবনের সফলতা বা ব্যর্থতা নির্ভর করে সময়ের ব্যবহারের প্রকারে।
মহান আল্লাহ বলেছেন, “সময়ের শপথ। নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। তবে তারা ব্যতীত, যারা ইমান এনেছে, সৎকাজ করেছে এবং পরস্পরকে সত্য ও ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে।” (সুরা আসর, আয়াত: ১–৩)
দুটি নেয়ামতের আবেদন
সুস্থতা ও অবসর হলো দুটি নেয়ামত, যার ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষ অপ্রতিদ্বন্দ্বিতাম্ভে ধোঁকা ও লোকসানের মধ্যে থাকে। মহানবী (সা.) এ সম্পর্কে বলেছেন, “দুটি নেয়ামতের ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষ চরম ধোঁকা ও লোকসানের মধ্যে রয়েছে—সুস্থতা ও অবসর।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৪১২)
সময়ের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবহার
প্রতিদিন কত সময় আমরা অযথা কাজে ব্যয় করি, যে কাজ দুনিয়াতে কিংবা আখেরাতে কোনো ফল দেয় না। তবে কোরআন অধ্যয়ন, জ্ঞান অর্জন বা মানুষের সেবার সময় ব্যয় করলে সেটি মূল্যবান বিনিয়োগ হয়। কোনো কাজ বিলম্ব করা বা আগামীকালে ফেলে রাখা একজন মুমিনের বৈশিষ্ট্য নয়, কারণ তার জীবনে সেই কথাটি আর কখনো আসে না।
মুমিনের জীবন কীভাবে অর্থহীন?
প্রতিটি মুহূর্ত মানুষের আমানত। সময় আল্লাহ–তাআলার দেওয়া সবচেয়ে বড় ও অমূল্য নেয়ামত। এই সময়ের কাজে লাগার দ্বারা মানুষের চরিত্র ও আখেরাতের অনন্ত ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয়। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও কোরআন তিলাওয়াত ব্যবহার করা সবচেয়ে সুন্দর উপায়। আত্মশুদ্ধি ও মানবকল্যাণের কাজ সময়ের সর্বোত্তম ব্যবহার।
সময় কাজে লাগানোর দায়িত্ব
সময়ের এক অংশ অযথা আড্ডা, অনর্থক বিতর্ক ও সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রলিংয়ে নষ্ট হয়। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে আত্মসমালোচনা
