স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা করেন স্লুইসগেট ব্যবস্থাপনা দায়িত্ব থেকে বোর্ড বাদ পড়বে
এখন থ ক স ল ইসগ ট – পেকুয়া উপজেলা পরিষদের মাঠে ত্রাণ বিতরণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ঘোষণা করেন যে পানি উন্নয়ন বোর্ড দ্বারা স্লুইসগেটের দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব আর থাকবে না। এখন থেকে এ দায়িত্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নদী ও সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ সাধারণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার টেকসই ও শক্তিশালী বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকার সুরক্ষা বিশেষ ভাবে বিবেচনার মধ্যে রয়েছে।
আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ পানিনিষ্কাশনের জন্য বিভিন্ন খালের মুখে স্লুইসগেট নির্মাণ করা হবে। স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজন অনুযায়ী পানি সহজে বের হয়ে আসতে এবং লবণাক্ত পানি প্রবেশ রোধ করতে স্লুইসগেট খুলে বন্ধ রাখা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে নতুন অনুশাসন জারি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
পেকুয়া উপজেলায় চকরিয়া, মাতামুহুরী এবং অন্যান্য এলাকায় ১০৩টি স্লুইসগেট রয়েছে। তার মধ্যে কিছু স্লুইসগেট অকার্যকর ছিল। বন্যার সময় বেশির ভাগ গেট বন্ধ রাখায় এলাকার ক্ষতি বেশি হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন দুই দিন সময় দিয়েও স্লুইসগেট সচল করতে পারেনি।
আগে থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের স্লুইসগেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় জনগণের দুর্ভোগ কমবে এবং ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন যে সরকার জনগণের বিপদে সাহায্য করার স্থায়ী ও নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
দুই দিনের সফরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শুক্রবার কক্সবাজার আসেন। প্রথম দিন তিনি চকরিয়ায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ত্রাণ বিতরণ করেন। দ্বিতীয় দিনে তিনি পেকুয়া পৌরসভা ও মেহেরামা এলাকায় সামগ্রিক পরিদর্শন করেন।
শামসুল
