এআই জগতে বাংলাদেশের হাসিবুল হকের চমক
এআই জগত ব ল দ শ র – যাঁরা এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক চ্যাটবট ব্যবহার করেন, তাঁরা অবশ্যই খুব কম প্রতিষ্ঠান অনুভব করেন যে প্রতিবার চ্যাটবট বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন আগের কোনো কিছু মনে রাখতে পারে না। এটাই এআই ক্ষেত্রে একটি সমস্যা হিসেবে পরিচিত। কিন্তু ব্যতিক্রম হল সিলিকন ভ্যালির একটি স্টার্টআপ যার নাম কজাল ডায়নামিকস ল্যাব। এ কোম্পানির সিয়েলারা নামে এআই টুলটি বিশেষ করে আগের প্রশ্ন মনে রাখতে পারে এবং যতবারই চ্যাটবট বন্ধ করা হয় ততবারই তা পূর্ববর্তী কথাগুলো ধরে রাখে। ফলে বড় প্রতিষ্ঠান বা এন্টারপ্রাইজ কর্মকর্তারা তথ্য ব্যবস্থাপনার জন্য এআই ক্ষমতাগুলো আরও ভালো ভাবে ব্যবহার করতে পারেন।
সিডিএল এর ক্ষমতা কী?
সিয়েলারা সিডিএলের এআই টুলটি বলছেন ‘ওয়ার্ল্ড মডেল’। এটি চ্যাটবট ব্যবহার করা বিশ্বের বিভিন্ন এআই মডেল বানায়। আগে থেকেই বিশ্বখ্যাত ফোর্বস সাময়িকী বলছেন, এন্টারপ্রাইজ পর্যায়ের সফটওয়্যার যাচাইয়ের জন্য সিডিএলের ‘প্রোডাকশন ওয়ার্ল্ড মডেল’ অপরিহার্য হয়ে উঠছে। আর ইয়াহু ফাইন্যান্স বলছেন, সিডিএল বেশ কয়েকটি কোডিং পরীক্ষায় ওপেনএআই ও অ্যানথ্রোপিকের পেছনে ফেলে দিয়েছে। এ কারণে বিশেষায়িত গণমাধ্যম পারপ্লেক্সিটি ডট এআই, এফিশিয়েন্টলিকানেকটেড ডট কম এর সংবাদ একই রকম প্রকাশ করেছে। বিশেষ ভাবে নোট করা যায় যে কজাল ডায়নামিকস ল্যাবের মডেল এন্টারপ্রাইজ সিস্টেম কাজে লাগাতে পারে। সেখানে এআই এজেন্টগুলো কোড খোঁজাখুঁজি করতে পারে কিন্তু কোড এডিট করার কাজে কম সময় ব্যয় করে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের তথ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নতুন চিন্তা করতে পারে।
‘আমাদের বড় একটা অ্যাচিভমেন্ট হল সিডিএলের মডেলটি সাড়ে ১২ কোটি টোকেন নিয়ে কাজ করতে পারে। কিন্তু ওপেনএআই, অ্যানথ্রোপিক বা এখনকার এআই মডেলগুলো ১০ লাখ টোকেনের ভিত্তিতে চিন্তাভাবনা করতে পারে।’
সিডিএল এতদুর উন্মুক্ত স্কোরবোর্ড তৈরি করেছে যে সব প্রতিযোগী এটি টপকে যেতে চাইবে। এই প্রতিযোগিতা প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতাদের জন্য সুফল বয়ে আনবে। বর্তমানে কোম্পানিটি যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোভিত্তিক হলেও এখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী রয়েছেন। সিডিএলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসিবুল হক বাংলাদেশি এবং বুয়েটের স্নাতক। তিনি প্রাথমিক কাজে এআই কোডিং বা প্রোগ
