যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে আবার কেন যুদ্ধ শুরু হলো, শান্তিপ্রক্রিয়ায় কতটা প্রভাব পড়বে
আঘাতের পর বাজারে ব্যাপক চর্চা
য ক তর ষ ট র ইর – গত মঙ্গলবার ও গতকাল বুধবার রাতে ইরানে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে তেহরানের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এ অভিযান নেওয়া হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের সম্ভাবনা চালু হয়েছে যখন উভয় পক্ষ আগের মতো সর্বাত্মক সম্মুখো হামলা আন্তর্জাতিক সংকট বাড়িয়েছে।
“আমরা গত রাতে ইরানের খুব বিপজ্জনক মানুষকে লক্ষ্য করে অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে হামলা চালিয়েছি। তারা অসুস্থ, তাদের সমস্যা আছে।”
বিশ্ববাজারে তৈরি হওয়া চাপ গতকাল বুধবার ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে যেখানে এটি প্রতি ব্যারেল ৭৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সেই সাথে ইউরোপীয় শেয়ারবাজারে ১ দশমিক ৬ শতাংশ পতন লক্ষ করা গেছে। এ পরিস্থিতিতে মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বিবেচনার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়েছে বলে তুলে ধরেছে ইরান
গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আগ্রাসন শুরুর প্রথম দিনে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। তিনি পরিস্থিতির সাথে নিষ্ঠাবান সহযোগিতা করেছিলেন। বর্তমানে এ নিয়ে সতর্কতার কারণে কয়েক দিন ধরে নানা প্রস্তাব চলছে।
তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর মতামত জানিয়েছিলেন যে তিনি মনে করেন, ইরানের সঙ্গে সই হওয়া সমঝোতা স্মারক ‘শেষ’ হয়ে গেছে। তিনি আপাতত শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিলেও ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করেন এগুলো ‘সময়ের অপচয়’।
ইরান নিষ্ঠাবান পদক্ষেপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুতর ধ্বংস ঘটিয়েছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে যে তারা মঙ্গলবার ও বুধবার রাতে ইরানের হরমুজ, বন্দর আব্বাস, সিরিক, চাবাহার, আবু মুসাসহ বিভিন্ন শহরে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। এটি হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে নেওয়া হয়েছিল।
আইআরজিসি বলেছে যে তারা মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোতে এর জবাব দিয়েছে। বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে ইরান। স্থানীয় টেলিভিশ
