Uncategorized

কর্ণফুলী টানেলে অতিথিশালা ইজারা দিয়ে টোলের ঘাটতি পূরণের চেষ্টা

কর্ণফুলী টানেল এবং ইজারা দেওয়ার চেষ্টা কর ণফ ল ট ন ল অত - কর্ণফুলী টানেল যে ১০ হাজার কোটি টাকার ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে, তার সত্যিকার লাভ অর্থ সে টানেল আয়

Desk Uncategorized
Published July 9, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

কর্ণফুলী টানেল এবং ইজারা দেওয়ার চেষ্টা

কর ণফ ল ট ন ল অত – কর্ণফুলী টানেল যে ১০ হাজার কোটি টাকার ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে, তার সত্যিকার লাভ অর্থ সে টানেল আয় করছে না। তোল আদায় করা খরচ কভার করছে না এবং সেতু বিভাগ তৈরি করা অতিথিশালার মাধ্যমে আয় বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

টানেলের দক্ষিণ প্রান্তে আনোয়ারা উপজেলার পারকি খালের পাশে একটি প্রায় ৭২ একর জায়গায় সার্ভিস এরিয়া নির্মাণ করা হয়েছে। এতে রয়েছে টানেলের একটি রেপ্লিকা, সম্মেলনকেন্দ্র, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং হেলিপ্যাড সহ বিভিন্ন স্থাপনা। এখন আবার অতিথিশালা ইজারা দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে।

টানেল প্রকল্প থেকে আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে অতিথিশালা ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এগুলো নির্মাণে যে ব্যয় হয়েছে, তা বিবেচনায় নিয়ে আয়ের একটি লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে।

গত বছরের জুলাই ও সেপ্টেম্বরে দুবার আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। কিন্তু কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান এতে সাড়া দেয়নি। স্থানীয় দুই থেকে তিনটি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ দেখালেও তাদের প্রস্তাবিত দর সেতু কর্তৃপক্ষের প্রাক্কলিত দরের চেয়ে কম হওয়ায় তা গ্রহণ করা হয়নি। তৃতীয় দফায় এ বছর আবার দরপত্র আহ্বান করা হয়। ১৩ জুলাই দরপত্র জমা দেওয়া এবং তা প্রকাশের শেষ দিন। তখনই বোঝা যাবে কোন প্রতিষ্ঠান কত টাকার বিনিময়ে ইজারা পেতে চাইছে।

সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, এই দফায় এখন পর্যন্ত ১৩টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ দেখিয়ে দরপত্র কিনেছে। এগুলো হচ্ছে জে এস ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, চিটাগং এশিয়ান অ্যাপারেলস, এলভি স্ট্রাকচার সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান।

অতিথিশালার সম্পত্তি ভাড়া প্রক্রিয়া

টানেলের সার্ভিস এরিয়ায় রয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুট আয়তনের আধুনিক সুসজ্জিত বাংলো। এখানে ছয়টি কক্ষ রয়েছে। অতিথিশালার রুম সার্ভিস, খাবার, ভ্রমণ, সম্মেলন, স্পা ইত্যাদি সেবার মূল্য নির্ধারণের স্বাধীনতাও ইজারাদারকে দেওয়া হবে। তবে কোনো নতুন নির্মাণ বা কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য ইজারাদারকে সেতু কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।

টানেল প্রকল্প থেকে আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে অতিথিশালা ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এগুলো নির্মাণে যে ব্যয় হয়েছে, তা বিবেচনায় নিয়ে আয়ের একটি লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। সে অনুযায়ী দর পাওয়া গেলে ২৯ বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হবে।

বর্তমান অবস্থা এবং বাস্তবতা

Leave a Comment