মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি
ম ল যস ফ ত র লক – বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন যে আগামী অর্থবছরে দেশের মূল্যস্ফীতির হার সাড়ে ৭ শতাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে। এই লক্ষ্য গৃহীত হয়েছে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি প্রতিরোধে স্থিতিশীল অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা গঠনের জন্য। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ৬ দশমিক ৫ শতাংশে রয়েছে, যা আগের অর্থবছরের মুখোমুখি নম্বরের তুলনায় কিছু কম। অর্থমন্ত্রী এই লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষের সংকট কমানো এবং উৎপাদনের গতিবিধি স্থিতিশীল রাখার জন্য নতুন স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
মূল্যস্ফীতির কারণ ও সমাধান
অর্থমন্ত্রী বলেন যে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি অনেকটা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ঘটছে। বিশেষ করে বাজারে পণ্য ও সার্ভিস প্রবাহের গতি হার কমে যাওয়ার সাথে সাথে নতুন আকাঙ্ক্ষা ও বাজারে শোক্তি ঘটছে। তবে সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সমন্বয়ে ও কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এই সমাধানের মাধ্যমে আসাদেশ স্থিতিশীল অর্থনীতি গঠন করতে সক্ষম হবে।
‘আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশে পৌঁছাবে। এই লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের জন্য আমরা নতুন স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’
আগামী অর্থবছরের প্রতিক্রিয়া ও চ্যালেঞ্জ
গত মে মাসে দেশের সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার সাড়ে ৯ শতাংশে পৌঁছেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ০৬ শতাংশ হয়েছে এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। এটা আসাদেশ স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। অর্থমন্ত্রী মন্তব্য করেন যে আগামী বছরে মূল্যস্ফীতি কমানো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি করতে হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সামগ্রিক উপায়গুলো বাস্তবায়ন করা হবে।
জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও সংখ্যাগুলো বিশ্লেষণ
গত অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ হয়েছে, যা কিছু কম। এই প্রবৃদ্ধির হারের বিশ্লেষণে সংকট ক
