বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল
মমত ক ব ধ নসভ য় ন – ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদ গড়ার আন্দোলনের প্রধান হুমায়ুন কবীর তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল আম-জনতা উন্নয়ন পার্টি গঠন করেন। তিনি এবার বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেন এবং রেজিনগর ও নওদা আসনে জয় লাভ করেন। তাঁর মুখ্য প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থীদের কাছে পরাজিত হন কিন্তু দুটি আসন দখল করেন।
হুমায়ুন কবীর বলেন, যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সাবেক আসনে জয় লাভ করতে পারেন না, তবে তিনি তাঁকে বিধানসভায় ফিরে আসার জন্য উপনির্বাচনে সহায়তা করবেন। এই সুযোগ দিয়ে মমতাকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় অর্থনীতি গড়ে তোলার আশ্বাস দিতে হবে তিনি।
“দিদি এবার জিততে পারলেন না তাঁর নিজের আসনে। দিদি যদি চান এবং নিজে থেকে বলেন, আমাকে বিধানসভায় যাওয়ার সুযোগ করে দাও; তবে আমি দিদির ডাকে সাড়া দিয়ে তাঁকে বিপুল ভোটে জিতিয়ে আনব।”
তৃণমূলের ভিত্তিতে বিভাজন
বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নাম ঘোষণা করা হয়। মমতার ছাড়া তৃণমূল দলের অধিকাংশ বিধায়ক তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়ায়। নিজের নিকটতম সমর্থকদের বিদ্রোহের ফলে তিনি বিধানসভায় দুটি আসন প্রাপ্ত করেন।
এই দলের ভাঙন হয়েছে দেখা যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ভাইপো ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বসানোর লক্ষ্য ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তাঁর চতুর্থবারের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন চুরমার করেছেন।
নতুন রাজনৈতিক যাত্রা
হুমায়ুন কবীর রেজিনগর আসন ছেড়ে নওদা রেখেছেন। সেখানে উপনির্বাচন হবে। মমতা কলকাতার ভবানীপুর আসনে শুভেন্দু অধিকারী কাছে পরাজিত হন। তিনি নন্দীগ্রাম আসনে পুনরায় জয় লাভ করেন যার ফলে তাঁর ক্ষমতার সাথে দুটি আসন প্রাপ্ত হয়েছে।
বিজেপি দলের সমর্থনে শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় জয় লাভ করেন। কিন্তু তিনি ভবানীপুর রেখে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দিয়েছেন। হুমায়ুন কবীর তৃণমূল ছেড়ে আসার পর নতুন দলে নিবন্ধন পেলেন এবং বিশেষ নিরাপত্তা অর্জন করেন।
