Uncategorized

পার্থিব জীবনের সঙ্গে আধ্যাত্মিক জীবনের সমন্বয় যেভাবে করবেন

ইসলামের প্রধান পরিচয় প র থ ব জ বন র - ইসলামের সুন্দর পরিচয় হলো জৈবিক ও আত্মিক আদর্শের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। আর এ ধর্ম মুসলমানদের মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন

Desk Uncategorized
Published June 6, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ইসলামের প্রধান পরিচয়

প র থ ব জ বন র – ইসলামের সুন্দর পরিচয় হলো জৈবিক ও আত্মিক আদর্শের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। আর এ ধর্ম মুসলমানদের মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন ও আধ্যাত্মিক ইচ্ছা মিলিত করে না। কিন্তু এটি একটি বিচার করা উচিত মধ্যপন্থা প্রস্তাব করেছে। কোরআনে এ বিষয়টি বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কীভাবে জাগতিক আকাঙ্ক্ষা ও পরজাগতিক স্বাধীনতা একত্রিত করা যায়।

‘আল্লাহ তোমাকে যা দিয়েছেন, তা দিয়ে তুমি আখেরাতে (স্থায়ী সুখভোগের) আবাস অনুসন্ধান করো, আর দুনিয়ায় তোমার অংশের কথা ভুলে যেয়ো না। যেমন আল্লাহ তোমার কল্যাণ করেছেন, পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টির কামনা করো না, নিশ্চয় আল্লাহ অপব্যয়কারীদের ভালোবাসেন না।’ (সুরা কাসাস, আয়াত: ৭৭)

আল্লাহ মূলত জৈবিক ও আত্মিক সমন্বয়ের পথ থেকে বিচ্যুতি ও সীমা লঙ্ঘন প্রতি সতর্ক করেছেন। এ জন্য সুরা আরাফের আয়াত: ৩১-৩২ এ তিনি বলেন, ‘যেসব সৌন্দর্য-শোভামণ্ডিত বস্তু ও পবিত্র জীবিকা তিনি তাঁর বান্দাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন কে তা হারাম করল’? যে আল্লাহর প্রতি তোমরা ইমান এনেছ তাঁকে ভয় করো।’ (সুরা মায়েদা, আয়াত: ৮৭-৮৮)

আধ্যাত্মিক ও জৈবিক সমন্বয়ের দর্শন

এই দৃষ্টিভঙ্গি দেখা যায়, আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা ও জাগতিক সমৃদ্ধি একত্রিত করে মানুষকে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। কোরআনে বলা হয়েছে, হালাল বিষয়গুলো নিষিদ্ধ করার কথা সীমালঙ্ঘন বলে গণ্য। সেই হালাল ও পবিত্র জীবিকা আল্লাহ তোমাদের দিয়েছেন, যেগুলো ভক্ষণ করো। (সুরা হাদিদ, আয়াত: ২৭)

পৃথিবী ও বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গি

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তিনিই সেই সত্তা, যিনি পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ২৯) এই আয়াত থেকে বুঝা যায়, বস্তু ও জড়জগতের ওপর মানুষকে যে কতৃত্ব ও প্রভাব দান করা হয়েছে, সেটা নির্দ্বিধায় সম্পূর্ণ মানুষের জন্য অনুগত করেছেন আল্লাহ। এটি কারণে আধুনিক যুগের আগে মহাবিশ্বকে রহস্যময় ও ভীতিজনক সত্তা হিসেবে বিবেচনা করা হত। মহাবিশ্বকে মানুষ আপন কর্তৃত্বের অধীন না ভেবে নিজেদের মহাবিশ্বের অধীন ভাবত। সবকিছুকে পবিত্র দেবতা বা দেবদূত ভেবে অর্চনা-উপাসনা করত।

মহানবী (সা.) এর উদ্যোগ

আল্লাহর নবী (সা.) বলেছেন, ইসলামে কোনো বৈরাগ্যবাদ নেই। কারণ, বৈরাগ্যবাদ ম

Leave a Comment