ভাইরাল ভিডিওটির শৌচাগারের ব্যক্তি নেইমার নন
ভ ইর ল ভ ড ওট র – সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে যায়, যার ক্যাপশনে লেখা আছে, ‘নেইমারের ফুটবল ভক্তরা, এমনকি সে যখন বাথরুমে যায়, তখনো তার ভিডিও করে।’ বিশ্বকাপের আগে এই ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায় একটি ব্যক্তি শৌচাগারে গেলে তার অনুসরণ করছে অসংখ্য ভক্ত। কনটেন্ট পোস্টগুলোতে দাবি করা হয় যে ব্যক্তি ব্রাজিলের জাতীয় দলে নেইমারের জায়গা পেয়ার পর আনন্দ উদ্যাপনে বাথরুমে যাচ্ছেন।
ভিডিওটি ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। এ ভিডিওটি দেখা হয় অন্তত ২৭ লাখ বার।
ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই নেইমারের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন অনেকে। প্রথম লিংক, দ্বিতীয় লিংক, তৃতীয় লিংক, চতুর্থ লিংক।
তবে যাচাই করলে দেখা যায় যে ভিডিওটি মূলত ২০২৬ সালের ১৯ মে ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও আপলোড করা হয়েছিল একটি অ্যাকাউন্ট থেকে, যেখানে স্বাক্ষর করা হয়েছে ‘অভিনেতা’ হিসেবে।
ব্যক্তি নেইমারের ছদ্মবেশ ধারণ করেছেন
তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কনটেন্টগুলো পর্যালোচনা করে বোঝা যায় যে তিনি মূলত নেইমারের ছদ্মবেশ ধারণ করে বিভিন্ন বিনোদনধর্মী ভিডিও তৈরি করছেন। এ ভিডিওটির পর্যন্ত ১ কোটি ৮০ লাখ বার দেখা হয়েছে।
আরও যাচাইয়ে জানা যায় যে ভিডিওতে থাকা ব্যক্তির আসল নাম ইগন অলিভার। তিনি একজন ব্রাজিলিয়ান ইনফ্লুয়েন্সার। তিনি দেখেত কিছুটা ফুটবলার নেইমারের মতো। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নেইমারের সঙ্গে চেহারাগত মিল ব্যবহার করে কনটেন্ট তৈরি করছেন।
বিশ্বকাপের দলে নেইমারের ডাক পাওয়ার পরপরই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে ভিডিওটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মূল প্রেক্ষাপট ছাড়া শেয়ার করা হয়, যে থেকে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।
লিংক: এখানে।
এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। কাতার বিশ্বকাপ চলাকালে ইগন অলিভার নিরাপত্তাবেষ্টনী এড়িয়ে স্টেডিয়ামের ভেতরে ঢুকে পড়েছিলেন। তখন বহু দর্শক তাঁকে আসল নেইমার মনে করেছিল।
অথচ প্রকৃত নেইমার তখন ইনজুরির কারণে হোটেলে ছিলেন। আন্তর্জাতিক কিছু সম্প্রচারমাধ্যমও তাঁকে আসল নেইমার মনে করেছিল।
লিংক : এখানে।
