বাংলাদেশের আকাশে দেখা যাবে শুক্র ও বৃহস্পতি গ্রহের মহামিলনের দৃশ্য
ব ল দ শ র আক শ – জুন মাসে বাংলাদেশের আকাশ মেঘলা থাকার সম্ভাবনা বেশি, কিন্তু এই সপ্তাহে কিছু উপলব্ধি দেওয়ার জন্য সৌরজগতের দুটি উজ্জ্বল গ্রহ শুক্র ও বৃহস্পতি একে অপরের কাছাকাছি আসতে দেখা যাবে। সন্ধ্যায় পশ্চিম দিগন্তে দেখা যাবে তাদের অসাধারণ রকমের মিলন।
জুনের প্রথম সপ্তাহে শুক্র গ্রহ আকাশের উপরের দিকে ওঠতে থাকবে, আর বৃহস্পতি পশ্চিম দিকে নামতে থাকবে। সূর্যাস্তের পর খালি চোখে তাদের কাছাকাছি অবস্থান দেখা যাবে। এই মুহূর্তে বুধ গ্রহও স্পষ্টভাবে পশ্চিম আকাশে উপস্থিত হবে।
সাধারণত সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় বুধ গ্রহকে খালি চোখে দেখা বেশ কঠিন।
কিন্তু জুনের প্রথম ১৫ দিন বুধ দেখার জন্য বছরের সেরা সময়। জুনের শেষ দিন বুধ গ্রহ সূর্য থেকে সর্বোচ্চ কৌণিক দূরত্বে (২৫ ডিগ্রি পূর্বে) অবস্থান করবে।
১২ থেকে ১৫ জুনের মধ্যে পশ্চিম আকাশে বৃহস্পতি, শুক্র ও বুধ গ্রহ একই লাইনে সারিবদ্ধ হবে। সূর্যোদয়ের পর পশ্চিম দিগন্তের নিচ থেকে ওপরের দিকে তাদের অবস্থান দেখা যাবে। এই সময় চাঁদ একটি সরু নতুন চাঁদের সাথে যুক্ত হবে, যা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য উপযুক্ত হবে।
১৫ জুনে আকাশে দেখা যাবে অমাবস্যা বা নিউ মুন। এই চাঁদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করায় একে সুপার নিউ মুন বলা হচ্ছে। চাঁদ না থাকার কারণে রাতের আকাশ সম্পূর্ণ অন্ধকার হবে। ঢাকার বাইরে বা গ্রামাঞ্চল থেকে গ্রীষ্মকালীন মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গার সাদা আভাসহ এম৮ নেবুলা ও ট্রাইফিড নেবুলার দৃশ্য দেখা যাবে।
জুনের পূর্ব আকাশে অপেক্ষা করছে ভিন্ন দৃশ্যপট। ভোরের আকাশে হলুদ আভাযুক্ত শনি গ্রহ বেশ উঁচুতে অবস্থান করছে। মধ্যরাতের পর উদিত হয়ে ভোর চারটার দিকে তার বলয়ের সুন্দর বাঁকটি (৯ ডিগ্রি কোণে হেলে থাকা) দেখা যাবে। এটি একটি সাধারণ টেলিস্কোপ ব্যবহার করে অনুভব করা যাবে।
অন্যদিকে লাল গ্রহ মঙ্গল শনির কিছুটা নিচে ও পূর্ব দিগন্তের কাছাকাছি অবস্থান করবে। সূর্যোদয়ের প্রায় ঘণ্টা দেড়েক আগে তার লালচে আভা খালি চোখে দেখা যাবে। এই সময়ে জুনের প্রথমার্ধে এক উপলব্ধি দেওয়ার জন্য বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণা ধুয়ে যাওয়ার কারণে আকাশ স্ব
