Uncategorized

প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ: একটি অপচয়মূলক ও ক্ষতিকর প্রকল্প

প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ: একটি অপচয়মূলক ও ক্ষতিকর প্রকল্প প রস ত ব ত পদ ম - পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাবনা

Desk Uncategorized
Published May 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ: একটি অপচয়মূলক ও ক্ষতিকর প্রকল্প

প রস ত ব ত পদ ম – পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাবনা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের আগ্রহের কারণে প্রকল্পটি আগের সরকারের আমলে প্রণীত ‘বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ এর অংশ হয়েছিল। বর্তমান পিডিপিপিতে এই প্রকল্পের বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা।

এই বিরাট বাজেটের প্রকল্পের প্রতি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের আগ্রহ অপেক্ষা করা যাবে না বলে মনে হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো প্রকল্প প্রস্তুতকারীরা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করেছেন কি যে প্রকল্পটি দেশের প্রতি কোনো উপকার করবে? সে ধরনের সমীক্ষা আছে কি? থাকলে সেটি জনগণের কাছে প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন?

পাউবো দ্বারা তৈরি পিডিপিপিতে প্রকল্পের প্রধান যুক্তি হল শুষ্ক মৌসুমে পদ্মার পানি দক্ষিণ-পশ্চিম নদীগুলিতে প্রবাহিত করার সম্ভাব্যতা। কিন্তু প্রকল্পের সম্ভাব্য নেতিবাচক দিকগুলোর কোনো উল্লেখ কিংবা আলোচনাই এতে পাওয়া যায় না।

অথচ প্রকল্পের ফলে উজান ও ভাটি উভয় এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। প্রথমত, ব্যারাজের নদীতে পলিপতনের ফলে তলদেশ ভরাট হয়ে যাবে এবং ব্যারাজের প্রস্তাবিত স্থান পাংশা থেকে রাজশাহী পর্যন্ত প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার নদীর দুই তীরে বন্যা এবং পাড়ভাঙন বৃদ্ধি পাবে। ভারতের ফারাক্কা বাঁধের অভিজ্ঞতা তারই সাক্ষ্য দেয়।

ফারাক্কার ফলে সেখানে উজানে বিহারের পাটনা পর্যন্ত গঙ্গার তলদেশ প্রায় ২০ ফুট উঁচু হয়ে গেছে এবং তার ফলে বন্যা এবং পাড়ভাঙন তীব্র হয়েছে। সে কারণে বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে দেওয়ার দাবিতে সেখানে প্রবল আন্দোলন গড়ে উঠেছে।

পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ, খরচ ৩৩,৪৭৪ কোটি টাকা। দ্বিতীয়ত, প্রস্তাবিত ব্যারাজের মাধ্যমে এই নদীর শুষ্ক মৌসুমের পানি দক্ষিণ-পশ্চিমের নদীগুলিতে প্রবাহিত হবে। এর ফলে আড়িয়াল খাঁসহ অন্যান্য নদীর প্রবাহ কমে যাবে এবং মেঘনা মোহনা দিয়ে লবণাক্ততা দেশের আরও ভেতরে প্রবেশ করবে।

তৃতীয়ত, এই প্রকল্পের ফলে ভারতের কাছে গঙ্গার শুষ্ক মৌসুমের প্রবাহে বাংলাদেশের হিস্যা আদায়ের প্রচেষ্টা চলবে না। কারণ ভারত জানাবে যে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চি�

Leave a Comment