প্রধানমন্ত্রীকে সফরে নিতে চায় জাপান, কী হতে পারে
প রধ নমন ত র ক সফর – বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন টোকিও সফর দুই দেশের সম্পর্ককে উন্নয়নের সহযোগিতা থেকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কৌশলগত অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে উন্নীত করার আরেকটি ধাপ হিসেবে গণ্য হতে পারে। গত জুনে চীন সফরের পর এই পদক্ষেপটি বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ একটি চরম ধাপ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
সম্প্রতি বছরগুলোতে বাংলাদেশের সম্পর্কে গুণগত পরিবর্তন জাপানের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। মাস দুয়েকের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরের প্রস্তাব চলছে। আগস্টের প্রথমার্ধে ঢাকায় দুই দেশের পররাষ্ট্রসচিবেরা বৈঠক করবেন, যেখানে সফর সূচি আরও স্পষ্ট হতে পারে।
বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল, মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্রবন্দর এবং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণে জাপানের সম্পর্ক ঘুরে উন্নয়ন সহযোগিতা থেকে কৌশলগত অংশীদারত্ব পর্যন্ত গভীর করতে চলছে।
প্রতিটি দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করতে জাপান চলছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গত জুনে চীন সফর রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও দেশটির ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিএনপি ও সিপিসির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। দুই দেশের সম্পর্কের ৫১ বছরের ইতিহাসে এবার তৃতীয়বারের মতো যৌথ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছে।
বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগিতা থেকে গভীর করে এগিয়ে চলছে। তিস্তার বৃহদায়তন উন্নয়ন প্রকল্পে চীন সরকারিভাবে যুক্ততার ঘোষণা দিয়েছে। অর্থনীতি ও সংযুক্তির বিকাশে মিয়ানমারকে যুক্ত করে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডরের প্রস্তাব দিয়েছেন সি চিন পিং।
চারট
