Uncategorized

প্রতিষেধকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে জিন পরিবর্তন করছে ম্যালেরিয়ার পরজীবী

প রত ষ ধক র ব র - প্রকৃতির বিবর্তনীয় লড়াইয়ে অণুজীবরা দ্রুত রূপ বদলানোর মাধ্যমে বেঁচে থাকার সুযোগ তৈরি করে। প্রতিষেধক আবিষ্কারের পরপরই পরজীবীরা নিজেদের জন্য

Desk Uncategorized
Published August 11, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
pic.Reuters
Foto : Elizabeth Smith - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. ম্যালেরিয়া পরজীবীর জিনগত বিবর্তন: ওষুধ প্রতিরোধে নতুন চ্যালেঞ্জ
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

ম্যালেরিয়া পরজীবীর জিনগত বিবর্তন: ওষুধ প্রতিরোধে নতুন চ্যালেঞ্জ

Banglaprabah.com – প রত ষ ধক র ব র – প্রকৃতির বিবর্তনীয় লড়াইয়ে অণুজীবরা দ্রুত রূপ বদলানোর মাধ্যমে বেঁচে থাকার সুযোগ তৈরি করে। প্রতিষেধক আবিষ্কারের পরপরই পরজীবীরা নিজেদের জন্য নতুন ঢাল গড়ে তোলে। মানবদেহে প্রাণঘাতী রোগ সৃষ্টিকারী ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে ওষুধ প্রতিরোধের জটিলতা দিন দিন বাড়ছে। প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম নামক এই পরজীবী বিভিন্ন ধরনের ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে একের পর এক জিন পরিবর্তন করছে।

ইথিওপিয়ার আরমাওয়ার হ্যানসেন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষক অলেমায়হু লেটেবো এবং যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের লিন এন ভ্যানহিরসহ তাঁদের দল এই গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা পরিচালনা করেছেন। তাঁদের কাজ ‘নেচার মাইক্রোবায়োলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণা থেকে জানা গেছে, পুরোনো ও পরিত্যক্ত ওষুধের বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া প্রতিরোধ ক্ষমতা টিকে থাকার পাশাপাশি বর্তমানে ব্যবহৃত মূল ওষুধগুলোর বিরুদ্ধেও পরজীবীদের প্রতিরোধক্ষমতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

ইথিওপিয়ার জটিল চিত্র ও গবেষণার ফলাফল

ম্যালেরিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী সংক্রামক ব্যাধি। প্রতিবছর কোটি কোটি মানুষ এতে আক্রান্ত হয় এবং লাখ লাখ মানুষ মারা যায়, যাদের বেশির ভাগই আফ্রিকার পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। গত ৭০ বছরে উদ্ভাবিত প্রায় সব ম্যালেরিয়ার ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম। ১৯৭০-এর দশকে আবিষ্কৃত আর্টেমিসিনিন ওষুধের ক্ষেত্রেও আংশিক প্রতিরোধক্ষমতা অর্জন করেছে তারা। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ১৫ বছর আগে আর্টেমিসিনিন প্রতিরোধী পরজীবীর দেখা মিলেছিল। এখন আফ্রিকার বিভিন্ন স্থানেও এর উপস্থিতি শনাক্ত হচ্ছে।

ইথিওপিয়ার চিত্র বিশেষভাবে জটিল। ফ্যালসিপেরামের চিকিৎসায় ক্লোরোকুইন ওষুধের কার্যকারিতা অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। এখন প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে আর্টেমেথার ও লুমেফ্যান্ট্রিন নামের দুটি উপাদানের মিশ্রণ ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে ম্যালেরিয়া কেবল একধরনের পরজীবীর কারণে হয় না। প্লাজমোডিয়াম ভিভাক্স নামের আরেকটি পরজীবীও ম্যালেরিয়া ছড়ায়। এটি অপেক্ষাকৃত কম প্রাণঘাতী এবং ক্লোরোকুইন দিয়েই এর নিরাময় সম্ভব। ভৌগোলিকভাবে দুটি পরজীবী একই এলাকায় অবস্থান করে।

২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ইথিওপিয়ার ১৫টি জেলা থেকে ৬০৫টি প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরামের নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণাগারে জিন বিশ্লেষণ করা হয়। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, বহু বছর আগে চিকিৎসায় নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও ক্লোরোকুইন প্রতিরোধী জিন ৬১.২ শতাংশ নমুনাতে বহাল তবিয়তে টিকে রয়েছে। গবেষকদের ধারণা, একই এলাকায় থাকা অন্য পরজীবী ভিভাক্সের চিকিৎসায় এখনো ক্লোরোকুইন ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কারণে ফ্যালসিপেরামের জিনেও ক্লোরোকুইন প্রতিরোধক্ষমতা থেকে গেছে।

২০০৫ সাল থেকে ইথিওপিয়ায় ব্যবহার বন্ধ থাকা ‘সালফাডক্সিন-পিরিমেথামিন’ ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী জিনের উপস্থিতিও দেখা গেছে ৪২.৮ শতাংশ নমুনাতে। একই সঙ্গে বর্তমান চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের বিরুদ্ধেও পরজীবীর রুখে দাঁড়ানোর তথ্য মিলেছে। গবেষণায় ব্যবহৃত নমুনার ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে আর্টেমিসিনিনের বিরুদ্ধে আংশিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা মার্কার বা জিন শনাক্ত হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট এলাকায় আর্টেমিসিনিন প্রতিরোধী জিনের হার ছিল সর্বোচ্চ ৪৮.৬ শতাংশ।

একাধিক ওষুধ প্রতিরোধ ও ভবিষ্যৎ কৌশল

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, একাধিক ওষুধ প্রতিরোধী জিন একসঙ্গে পরজীবীর শরীরে অবস্থান করছে। ক্লোরোকুইন প্রতিরোধী মার্কার থাকা পরজীবীদের মধ্যে আর্টেমিসিনিন প্রতিরোধ গড়ে তোলার সম্ভাবনা অন্তত ৩ গুণ বেশি দেখা গেছে। এ ছাড়া বর্তমানে ব্যবহৃত লুমেফ্যান্ট্রিন ওষুধের প্রতি সংবেদনশীলতা কমে যাওয়ার লক্ষণ মিলেছে ৯৩ শতাংশ নমুনাতে।

এর অর্থ হলো, ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ইথিওপিয়া কোনো একটি নির্দিষ্ট সমস্যার ভুগছে না। একেক এলাকার পরজীবী একেক ধরনের পরিবর্তন বা মিউটেশন নিয়ে বিবর্তিত হচ্ছে। তাই ম্যালেরিয়া নির্মূলে সব জায়গায় একই কৌশল প্রয়োগ করলে কাজ হবে না। গবেষকরা তাঁদের গবেষণাপত্রে উল্লেখ করেছেন, ইথিওপিয়ায় ফ্যালসিপেরামের আঞ্চলিক রূপান্তর ও ভৌগোলিক পার্থক্যের কারণে অঞ্চলভিত্তিক প্রতিরোধ কৌশল নেওয়া জরুরি। ফ্যালসিপেরাম ও ভিভাক্স দুটো পরজীবীর ওপরই নজর রাখতে হবে। জিনগত বিন্যাস পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসাপদ্ধতির প্রতিনিয়ত মূল্যায়নই পারে এই বিবর্তন মোকাবিলায় সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে।

প্রশ্নোত্তর: ম্যালেরিয়া ও ওষুধ প্রতিরোধ সম্পর্কে

ম্যালেরিয়া পরজীবী কেন ওষুধ প্রতিরোধ গড়ে তোলে? পরজীবীরা বিবর্তনের মাধ্যমে নিজেদের জিন পরিবর্তন করে ওষুধের প্রভাব থেকে বাঁচতে চায়। এটি প্রাকৃতিক নির্বাচনের একটি অংশ।

ইথিওপিয়ায় কোন ওষুধ এখনো কার্যকর? বর্তমানে আর্টেমেথার ও লুমেফ্যান্ট্রিনের মিশ্রণ প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে ভিভাক্স পরজীবীর ক্ষেত্রে ক্লোরোকুইন এখনো কার্যকর।

ওষুধ প্রতিরোধ কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়? অঞ্চলভিত্তিক চিকিৎসা কৌশল, জিনগত পর্যবেক্ষণ এবং ওষুধের ব্যবহার কমানো ওষুধ প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

গবেষণাটি কোথায় প্রকাশিত হয়েছে? গবেষণাটি ‘নেচার মাইক্রোবায়োলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

সূত্র: সায়েন্সঅ্যালার্ট

Frequently Asked Questions

What is প রত ষ ধক র ব র?

প রত ষ ধক র ব র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does প রত ষ ধক র ব র matter?

প রত ষ ধক র ব র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment