দীর্ঘসূত্রতার অবসান হোক
প্রকল্প ও সময়ের সমস্যা
দ র ঘস ত রত র অবস – দীর্ঘসূত্রতার অবসান হোক বলে বিজ্ঞান ও মহাকাশ সম্পর্কিত জ্ঞান বিস্তারের জন্য দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে নভোথিয়েটার নির্মাণের প্রস্তাব সম্পূর্ণরূপে প্রশংসণীয় ছিল। এই প্রকল্পগুলো পর্যটনের মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারত। কিন্তু স্থান নির্ধারণ ও জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিবাদের ফলে দীর্ঘসূত্রতার কাজ প্রযুক্তিগত সমস্যার মুখে পড়েছে। সম্প্রতি প্রথম আলো র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল ও রংপুরে প্রকল্পের ব্যয় ও সময়সীমা বাড়ানো হলেও কাজ অব্যাহত রয়েছে।
খুলনার ঘটনা হতাশার কারণ
বরিশালে দীর্ঘসূত্রতার প্রকল্পটি আগে আরও কম ব্যয়ে চালু হতে পারত, কিন্তু এখন সেটি প্রায় ৪৬০ কোটি টাকাতে সম্পন্ন হবে। রংপুরের প্রকল্প বর্তমানে প্রায় ৪৪৫ কোটি টাকাতে সীমিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সরবরাহের সমস্যা এবং ডলার সংকট এর কারণে দীর্ঘসূত্রতার কাজ আরও জটিল হয়ে উঠেছে। জনগণের কর থেকে ব্যয় বৃদ্ধির পরিণতি হতে পারে।
প্রথম আলো র প্রতিবেদন অনুযায়ী, জমি হস্তান্তরের পরও স্থানীয় আপত্তি এবং স্থান নির্ধারণের দুর্বলতা দীর্ঘসূত্রতার অগ্রগতির বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিকল্প স্থান খুঁজে পুনর্বিবেচনা করা উচিত ছিল, কিন্তু তা না করে এক ঝটকায় দীর্ঘসূত্রতার প্রকল্প বাতিল করেছে। এটি সরকারের অদক্ষতা ও দায়িত্বহীনতার প্রমাণ হতে পারে।
প্রকল্পগুলো আরও জটিল হয়েছে
দীর্ঘসূত্রতার প্রকল্পগুলো আগে থেকে আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। বরিশাল ও রংপুরে প্রকল্প দুটি আর কালক্ষেপণ না করে এক বছরের মধ্যে আমদানি করা সামগ্রী এনে চালু করতে হবে। ডিজিটাল প্রজেকশন ও ইলেকট্রোমেকানিক্যাল সরঞ্জামের স্থাপন কাজ বর্তমানে আগে থেকে বেশি সময় সামগ্রী আমদানি করার জন্য প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘসূত্রতার কাজের পরিকল্পনা অনুসারে প্রতিটি পদক্ষেপ সময়সীমা অতিক্রম করেছে।
বরিশালে দীর্ঘসূত্রতার প্রকল্পটি এখন প্রায় ৪৬০ কোটি টাকাতে পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। রংপুরের প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভাবে নতুন স্থানে নতুন করে চালু করার উদ্যোগ নেওয়া দরকার। যেহেতু আন্তর্জাতিক সরবরাহের সমস্যা আরও বেড়েছে, দীর্ঘসূত্রতার প্রকল্প চালু করতে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে। এই সমস্যা দীর্ঘসূত্রতার সম্পূর্ণ অগ্রগতি বিপন্ন করেছে।
খুলনায় দীর্ঘসূত্রতার প্রকল্প কয়েক
