Uncategorized

দারাজে বিজ্ঞাপন দিয়ে মাদক বিক্রি, অভিযানে বাড্ডা থেকে কেমিস্ট গ্রেপ্তার

দ র জ ব জ ঞ পন - গত রোববার সন্ধ্যা সাটের দিকে রাজধানীর বাড্ডা পূর্ব পদর আলীনগর সাঁতারকুলে অবস্থিত একটি চারতলা ভবনকে ঘিরে ফেলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের

Desk Uncategorized
Published August 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Capture-7
Foto : William Jones - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. দারাজের মাধ্যমে টিএইচসি বিক্রির অভিযানে বাড্ডা থেকে কেমিস্ট আনিসুর গ্রেপ্তার
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

দারাজের মাধ্যমে টিএইচসি বিক্রির অভিযানে বাড্ডা থেকে কেমিস্ট আনিসুর গ্রেপ্তার

বাড্ডার চারতলা ভবনে অভিযান

Banglaprabah.com – দ র জ ব জ ঞ পন – গত রোববার সন্ধ্যা সাটের দিকে রাজধানীর বাড্ডা পূর্ব পদর আলীনগর সাঁতারকুলে অবস্থিত একটি চারতলা ভবনকে ঘিরে ফেলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) একটি দল। সন্ধ্যা সাট পাঁচ মিনিটে ভবনের চতুর্থ তলার উত্তর পাশের একটি ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে চেয়ারে বসে থাকা অবস্থায় মোহাম্মদ আনিসুর রহমান (৪০)কে আটক করা হয়। বাসার মালিক মোহাম্মদ খোকন মিয়াসহ আরেকজনকে সাক্ষী রাখা হয়।

এই অভিযানে ৬২০ মিলিলিটার টিএইচসি মাদক উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা। এছাড়া মাদক প্রস্তুত ও প্যাকেটজাত করার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ৫০টি ছোট কাচের বোতল, দারাজের লোগোযুক্ত পলিথিন প্যাকেট, কম্পিউটার ও মুঠোফোন জব্দ করা হয়। আনিসুর রহমান ছাড়াও দারাজের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) আসামি করে সোমবার বাড্ডা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ক্রেতা সেজে ফাঁদ পাতার গল্প

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসি জানতে পারে, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ মাদক টিএইচসি (টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল) কেনাবেচা চলছে। গত পাঁচ বছরে এই অনলাইন মাধ্যমে প্রায় ৪০৫ বোতল মাদক বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রথমে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়। পরীক্ষায় তরল পদার্থে উচ্চ মাত্রার টিএইচসির উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ায় কর্মকর্তারা ক্রেতা সেজে তিনটি কাচের বোতলে প্রতিটিতে ২০ মিলিলিটার করে মোট ৬০ মিলিলিটার টিএইচসির ফরমাশ দেন।

১৬ আগস্ট বিকেল চারটা পাঁচ মিনিটে রমনার সেগুনবাগিচা তোপখানা রোডের নকশী টাওয়ারের সামনে সেই পার্সেল পৌঁছে দিতে আসেন দারাজের পণ্য সরবরাহকারী কর্মী মো. নাঈম (২০)। তাঁকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে খাকি রঙের পার্সেলটি তল্লাশি করা হলে ভেতরে পলিথিনে মোড়ানো তিনটি কাচের বোতলে মোট ৬০ মিলিলিটার টিএইচসি পাওয়া যায়। বিকেল সাটের দিকে এসব আলামত জব্দ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে নাঈম জানান, পার্সেলটি বাড্ডার পূর্ব পদর আলীনগর সাঁতারকুলের ওই চারতলা ভবনের চতুর্থ তলা থেকে সংগ্রহ করেছিলেন। পার্সেলের ভেতরে কী ছিল তা তিনি জানতেন না; কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে কেবল পৌঁছে দিতে এসেছিলেন। মাদক কারবারের সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া না যাওয়ায় তাঁকে আটক করা হয়নি।

রামপুরার দারাজ হাব অফিসে তল্লাশি

নাঈমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দুপুর থেকে রাত সাট পর্যন্ত রমনা, বাড্ডা ও রামপুরার তিনটি স্থানে অভিযান চালানো হয়। রাত সাটের দিকে রামপুরার দারাজ হাব অফিসে গিয়ে হাব সুপারভাইজার মো. সৈয়দ ইরফানকে (৩১) জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি দারাজ প্ল্যাটফর্মে টিএইচসির বিজ্ঞাপন থাকার কথা স্বীকার করেন এবং জানান, বিজ্ঞাপনের বিষয়গুলো বনানী প্রধান কার্যালয়ের এমডি দেখাশোনা করেন।

হাব সুপারভাইজার সৈয়দ ইরফান ও জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেনের (৫৩) উপস্থিতিতে পার্সেলসংক্রান্ত তথ্যের দুই পাতার নথিপত্র জব্দ করা হয়।

দারাজের নীরবতা

বক্তব্য জানতে দারাজের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম বাপ্পীর মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। খুদে বার্তা পাঠানো হলেও সাড়া দেননি। পরে দারাজের আইন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ডিএনসি মহাপরিচালকের বক্তব্য

দারাজ যাচাই–বাছাই না করে এ মাদক বিক্রি করে আসছিল। অনলাইন ব্যবহার করে মাদক কেনাবেচা আইনগত অপরাধ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফ প্রথম আলোকে এ কথা বলেন। তিনি আরও জানান, অনলাইনে মাদক কেনাবেচা বন্ধে নিয়মিত নজরদারি করা হচ্ছে।

আনিসুর রহমানের পরিচিতি

তদন্ত–সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আনিসুর রহমান পেশায় একজন কেমিস্ট (রসায়নবিদ)। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি জাপানে যান। দেশে ফিরে প্রথমে হাতে তৈরি সাবান বানিয়ে বিক্রির ব্যবসা শুরু করেন। পরে দারাজের মাধ্যমে এই মাদক বিক্রিতে হাত দেন।

আনিসুর এটিকে ‘সিবিডি তেল’ নামে অনলাইনে বিক্রি করতেন। টিএইচসি মূলত গাঁজার ঘনীভূত তরল নির্যাস — যন্ত্রের সাহায্যে গাঁজা প্রক্রিয়াজাত করে তেলের মতো তৈরি করা হয়। এটি সরাসরি জিবে দেওয়া হয় অথবা ভেপের (ই-সিগারেট) ভেতরে কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে নেশা হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

Frequently Asked Questions

What is দ র জ ব জ ঞ পন?

দ র জ ব জ ঞ পন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does দ র জ ব জ ঞ পন matter?

দ র জ ব জ ঞ পন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment