তিনটি সন্তানকে আঁকড়ে নতুন আশ্রয় পেয়েছেন সেই মা
ত ন সন ত ন ন য় – রাজধানী ঢাকার কালশী বস্তিতে গৃহহীনতার শিকার হয়েছে হাজারো মানুষ। অগ্নিকাণ্ডে সব সম্পত্তি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আর স্বামী বাড়ি থেকে বেরিয়ে কোথাও চলে গেছেন কিন্তু ফেরত আসেননি। বস্তিতে অনেকেই জায়গার অভাবে কালশী উড়ালসড়কের র্যাম্পে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁদের একজন হলেন রাজিয়া বেগম।
গতকাল মঙ্গলবার প্রথম আলোর অনলাইন প্রতিবেদনে এই মা নিয়ে খবর প্রকাশ করা হয়। সেই সূত্র ধরে বন্ধুসভা জাতীয় পর্ষদের সদস্যরা তাঁর খোঁজ নিয়েছিলেন। তাঁদের সদস্যদের সংগ্রহ করে ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স সংস্থার পৃষ্ঠপোষকতায় রাজিয়া ও তাঁর পরিবারের জন্য তিনটি পরিবারের জন্য ঘর ভাড়া করে দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি দেড় শত মানুষের জন্য তাৎক্ষণিক রাতের খাবার প্রস্তুত করা হয়। তাঁদের জন্য বাসা খুঁজে এক মাসের ভাড়া অগ্রিম নেওয়া হয়েছে। মশারি ও বিছানা সহ বসবাসের জন্য প্রাথমিক উপকরণ সরবরাহ করা হয়।
রাজিয়া বেগম বলেন, “ছোট বাচ্চাটি ঘরে ঢুইকা মুখে হাসি আনছে। খেলতে চায়। আমি দেখতে চাই। সারাদিন গোসল করছি না। এখন বাচ্চাগুলো নিয়ে একটু শান্তিতে ঘুমাচ্ছি। সামনে কাজ করতে চেষ্টা করছি।”
উপস্থিত ছিলেন বন্ধুসভা জাতীয় পর্ষদের সভাপতি জাফর সাদিক ও সহসভাপতি নূর ই আলম। সভাপতি জাফর সাদিক বলেন, “গত রাতে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে আমরা এই মানুষগুলোর সাহায্য করার প্রস্তুতি নিয়েছি। আজ প্রথম আলোতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। ব্র্যাক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তাঁদের পাশে দাঁড়াতে আমরা সবাই আগ্রহী।”
সহসভাপতি নূর ই আলম জানান, “আপনারা কোনো অবস্থাতেই মনোবল হারাবেন না। যেকোনো পরিস্থিতিতে আমরা ব্র্যাকের সহযোগিতায় আপনাদের পাশে থাকব। ক্ষতিগ্রস্তদের সম্পূর্ণ সহায়তা করতে আমরা সামর্থ্য রাখি।”
ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সের ডেপুটি প্রোগ্রাম হেড এহসানুল ইসলাম বলেন, “ব্র্যাক যেকোনো দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়। কালশীতে অগ্নিকাণ্ডে আমরা আর্থিক সাহায্য
