পল্লবীতে শিশু হত্যার মামলায় সোহেল রানা দোষ স্বীকার করেছেন
পল লব ত ন শ সভ ব – রাজধানী ঢাকার পল্লবীতে গত সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে আট বছর বয়সী একটি কন্যাশিশুকে নৃশংসভাবে হত্যা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন সোহেল রানা। তিনি আদালতে দোষ স্বীকার করেন এবং স্বীকারোক্তি জানান দেন।
এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের আবেদনে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালত তাঁকে কারাগারে আটক করেছেন।
পুলিশ আবেদনে জানানো হয়েছে, হত্যার শিকার শিশুটি রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে বাসা থেকে বের হয় গত সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে।
অভিযোগ অনুযায়ী, স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। শিশুটিকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখা যায় তাঁদের কাছে। অভিযুক্তদের কথা বলা যায় না পেয়ে তাঁরা দরজা ভেঙে ফ্ল্যাটে ঢুকে পড়েন।
আদালতে নিয়ে আসা হয় সোহেল রানাকে বেলা সোয়া তিনটার দিকে হাজতখানা থেকে কড়া নিরাপত্তায়। তাঁর উদ্দেশে আদালতের প্রাঙ্গণে উপস্থিত কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পুলিশ জানায়, ফ্ল্যাটে শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ পড়ে ছিল। আরেকটি কক্ষে মাথাটি বালতির মধ্যে রেখে ছিল।
এ ঘটনার পর সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। তিনি গতকাল সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে গ্রেপ্তার হন। শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন এবং মামলায় দোষী হিসেবে সোহেল রানা, স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাতপরিচয় একজনকে আটক করা হয়।
মামলায় জানানো হয়েছে, শিশুটিকে ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়ার সময় সেখানে তৃতীয় একজন ব্যক্তি ছিল। শিশুটির স্বজনসহ অন্যরা ফ্ল্যাটে ঢুকার আগে তিনি চলে যান। ঘটনাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওাধীন।
