Uncategorized

বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের ১৫ বিচারককে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য আইনজীবীদের

বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের ১৫ বিচারককে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য ব ল প ত স প র - সুপ্রিম কোর্টের সচিবালয় বিলুপ্ত হওয়ার পর তার ১৫

Desk Uncategorized
Published May 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের ১৫ বিচারককে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য

ব ল প ত স প র – সুপ্রিম কোর্টের সচিবালয় বিলুপ্ত হওয়ার পর তার ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করার বিষয়ে দুটি বিভিন্ন মতবাদ শোনা গেল। প্রথম দিকে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এটি আদালত অবমাননা হিসেবে বিবেচনা করেছেন। বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক এম বদরুদ্দোজা বাদল তবে বলেছেন, এটি সাধারণ প্রক্রিয়া।

আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি নিয়ে বিতর্ক

১৫ বিচারককে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার বিষয়ে গত মঙ্গলবার অফিস আদেশ জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। আদেশে উল্লেখ রয়েছে যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে এই পদে নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যোগদানপত্র ভূতাপেক্ষভাবে গ্রহণ করার তারিখ ১০ এপ্রিল বলে দেখা গেল।

এর আগে হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকদের নিয়োগের বিষয়ে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর রায় দেওয়া হয়েছিল। তার নির্দেশনায় সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন সচিবালয় তিন মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আদেশ দেওয়া হয়। পরে সরকার বিচার শাখা-৩-এর ১৯ মে স্মারকমূলে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার ব্যবস্থা করেছে।

রিট আবেদন এবং পূর্ণাঙ্গ রায়

“সরকার গতকাল রাতে যা করেছেন, এটি সিরিয়াস…আদালত অবমাননা।”

আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আদালত অবমাননা করা হয়েছে। তিনি বোঝান হয়েছেন যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় থেকে বিচারকদের মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়াটি আদালতের স্বাধীনতা বিস্মৃত করেছে। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর তিনি জানান যে আদালত অবমাননার আবেদন আগামী বৃহস্পতিবার দায়ের করবেন।

“কারণ, পৃথক সচিবালয়ের বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বা বিচার বিভাগ পৃথককরণের বিষয়ে বিএনপির বক্তব্য আছে, বিএনপি বড় স্টেকহোল্ডার।”

অন্যদিকে বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তরিত হয়নি বলে তিনি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া স্বীকৃতি দিয়েছেন। একই বছরের ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধন করা হয়। যেহেতু পার্লামেন্টে পাস হয়নি এ অধ্যাদেশ, তাই এটি ফাংশন করে কীভাবে তা স্পষ্ট হয়নি।

আইন মন্ত্রণালয়ে যুক্ত করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট সেক্রেটারিয়েটের পূর্বে সংযুক্ত ছিল জুডিশিয়াল অফিসারদের। সুতরাং এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে তিনি দাবি করেছেন। তিনি আরো বলেন, কম্প্রিহেনসিভ বিল হিসেবে এটি আগামি সময়ে পার্লামেন্টে আনা হবে বিএনপি।

Leave a Comment