‘অভিনন্দন’ এমবাপ্পে, বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ড ভাঙবেন কবে
অভ নন দন এমব প প ব – বাঘ শিকারের আগে আসে না, শিকারি হিসেবে তার প্রতিপক্ষকে ভুলিয়ে দেয়। সেনেগালের বিপক্ষে বিশ্বকাপে ফ্রান্সের প্রথমার্ধ ছিল মনে হয় শিকারি স্বপ্নের অপেক্ষায়। কিলিয়ান এমবাপ্প, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে ও দেজিরে নামে তারকাদের ক্ষমতা বাঁধাই করতে পারে না আপনি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স বদলে গেল। তার নেতৃত্বে দুই গোল করে বিশ্বসেরা তারকা পাঁচ মিনিটের মধ্যে সেনেগালকে আফসোসে ফেলে।
ফ্রান্সের প্রথম গোল কিলিয়ান এমবাপ্পের মার দিয়ে হয়। ৬৬ মিনিটে এই গোল দিয়ে তিনি ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা অলিভিয়ের জিরুকে অতিক্রম করেন। এই পয়েন্টে তার দুই গোল হয় এবং মাইকেল ওলিসে ছিল অপর পার্শ্বে গোল করার কাজে। ডান পাশে বক্সের বাইরে থেকে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে তার অবদান দুর্দান্ত হয়ে উঠেছিল।
বিশ্বকাপে মাঠে নামার মাত্র ৩ মিনিটে দুই গোল করে এমবাপ্পে ছিল বারকোলা এবং সেনেগালের গোলটি ইব্রাহিম এমবায়ে করেছিলেন। পাশাপাশি এমবাপ্পে স্বীকৃত হলো মুহূর্তে বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ড ভাঙার কাজে স্বাভাবিক কিন্তু সেটা আপনি প্রত্যাশিত করেন।
‘অভিনন্দন কিলিয়ান। আমি খুশি। এটা স্বাভাবিকই, প্রত্যাশিতও ছিল। সে সব রেকর্ড ভেঙে দেবে—জাতীয় দলের হয়ে ম্যাচ খেলার সংখ্যা ও গোলের রেকর্ড দুটোই। আমার মনে হয়, সে সহজেই ১০০ গোল করতে পারে। এমনকি বিশ্বকাপে মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ডও ভেঙে দিতে পারে।’
সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার কাজে এমবাপ্পের বয়স মাত্র ২৭ বছর। এই গোলে বিশ্বকাপে আপাতত তার গোল হয়েছে ১৪ টি। ফ্রান্সের ম্যাচ খেলার সংখ্যা ছিল ৯৯। ক্যারিয়ার শেষে তিনি যে চূড়ায় উঠেই থামুন না কেন, সেটা বিস্ময়কর কিছু হবে বলে মনে হচ্ছে।
বিশ্বকাপে এখন ফ্রান্সের সামনে ইরাক। ২২ জুন দলটির মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। কে জানে, সে ম্যাচেই হয়তো বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারেন এমবাপ্পে!
