Uncategorized

টিকটিকি দেখে আপনিও কি ভয় পান? কারণটা জানুন

ট কট ক দ খ আপন ও - আজকের দিনটি বিশ্ব লিজার্ড দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। এই প্রাণীজগতের এক অংশ হিসেবে আমাদের পরিচিত টিকটিকিও রয়েছে। দেওয়ালে ঝুলে থাকা এই ছোট্ট

Desk Uncategorized
Published August 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
GeminiGeneratedImageqa70utqa70utqa70
Foto : Linda Hernandez - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. টিকটিকি দেখে ভয় পান? জানুন এর কারণ
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

টিকটিকি দেখে ভয় পান? জানুন এর কারণ

Banglaprabah.com – ট কট ক দ খ আপন ও – আজকের দিনটি বিশ্ব লিজার্ড দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। এই প্রাণীজগতের এক অংশ হিসেবে আমাদের পরিচিত টিকটিকিও রয়েছে। দেওয়ালে ঝুলে থাকা এই ছোট্ট প্রাণীটি সম্পূর্ণ নিরীহ। তবুও অনেকেই টিকটিকি দেখলেই অস্বস্তি বোধ করেন। আসলে এর পেছনে কী কারণ? প্রাণীবিজ্ঞানীরা সরীসৃপদের বিভিন্ন ভাগে ভাগ করেছেন। লিজার্ডরাও সেই ভাগের একট। অর্থাৎ নির্দিষ্ট কিছু সরীসৃপকে লিজার্ড বলা হয়। অন্যান্য সরীসৃপদের থেকে এদের কিছুটা আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

বেশিরভাগ লিজার্ডের চারটি পা থাকে। এদের শ্রবণযন্ত্রের ছিদ্র দেহের বাইরে অবস্থান করে। চোখের পাতাও এদের থাকে। তবে কিছু প্রজাতিতে এই বৈশিষ্ট্যগুলোতে ব্যতিক্রম দেখা যায়। পৃথিবীজুড়ে সাড়ে সাত হাজারের বেশি প্রজাতির লিজার্ড পাওয়া যায়। এর মধ্যে টিকটিকি আমাদের সবচেয়ে পরিচিত। এটিকে নিজের ঘরের বাসিন্দাও বলা যেতে পারে। গিরগিটি, তক্ষক এবং গুইসাপ—এই তিনটি প্রাণীও লিজার্ডের অন্তর্ভুক্ত। গুইসাপের নামে ‘সাপ’ শব্দটি থাকলেও এটি আসলে সাপ নয়। ইগুয়ানা, স্কিংক এবং কোমোডো ড্রাগনও লিজার্ডের তালিকায় রয়েছে। কোমোডো ড্রাগন হলো সবচেয়ে বড়দেহী লিজার্ড, যার বিষ রয়েছে। তবে কুমির বা অ্যালিগেটর লিজার্ড নয়।

সাধারণ টিকটিকিকে ইংরেজিতে হাউস লিজার্ড বা হাউস গেকো বলা হয়। অনেক সময় কেবল লিজার্ড হিসেবেও এটিকে আখ্যায়িত করা হয়। বনের লিজার্ডদের চেয়ে ঘরের টিকটিকির স্বভাব অনেকটাই ভিন্ন। ঘরের টিকটিকি সাধারণত মানুষকে কামড়ায় না। এদের শরীরে কোনো ক্ষতিকর বিষও থাকে না।

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী শারমিন হক বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানান, কোনো নির্দিষ্ট কারণ না থাকলেও মানুষের মনে কোনো প্রাণীর প্রতি ভয় তৈরি হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই ভয়কে ফোবিয়া বলা হয়। শৈশবের কিছু ঘটনাও টিকটিকি ভীতির কারণ হতে পারে।

একটি টিকটিকি কখন দ্রুত চলবে কিংবা কখন থেমে যাবে, তা আমরা অনুমান করতে পারি না। এমন একটা প্রাণী, যা দেখতে খুব একটা আকর্ষণীয়ও নয়, হঠাৎ দ্রুতগতিতে দৃষ্টিসীমার মধ্যে চলে এলে একটি শিশু ভয় পেতে পারে।

ঘরের আঙিনায় থাকা টিকটিকি হুট করে এসে একটি ছোট্ট পোকা খেয়ে নিলেও এটি কারও কারও জন্য ভয়ের স্মৃতি হয়ে থাকতে পারে। আবার হঠাৎ কোনো শিশুর গায়ে যদি টিকটিকি পড়ে, তবে সে চমকে উঠতে পারে। কারও গায়ে এভাবে টিকটিকি পড়লেও ভয় পেতে পারে শিশু। শৈশবে যদি অন্য কারও টিকটিকি ভয় দেখা যায়, তবে তাও ভয় তৈরি করতে পারে।

যদি টিকটিকি বিষয়ক ভয় অতিরিক্ত মাত্রায় থাকে, তবে রোজকার জীবনে কিছু সমস্যা হতে পারে। মানুষ হয়তো একটা ঘরে কেবল টিকটিকির অবস্থানের কারণেই ভয় পান। মনের ভয়টা স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে গেলে একজন মনোবিদের শরণাপন্ন হওয়া ভালো।

Frequently Asked Questions

What is ট কট ক দ খ আপন ও?

ট কট ক দ খ আপন ও is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ট কট ক দ খ আপন ও matter?

ট কট ক দ খ আপন ও matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment