Uncategorized

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান: যুদ্ধ যেন শেষ হওয়ার নয়

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান: যুদ্ধ যেন শেষ হওয়ার নয় জ ল ই গণ অভ য ত - দুই বছর কেটে গেছে, কিন্তু আমাদের চোখে ভাসে সেই সময়ের কথা। কাজের প্রয়োজনে প্রায় প্রতিদিন

Desk Uncategorized
Published July 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান: যুদ্ধ যেন শেষ হওয়ার নয়

জ ল ই গণ অভ য ত – দুই বছর কেটে গেছে, কিন্তু আমাদের চোখে ভাসে সেই সময়ের কথা। কাজের প্রয়োজনে প্রায় প্রতিদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের সামনে দিয়ে হাইকোর্টে যাওয়ার পথ হয়ে শহীদ মিনার পার হয়ে থাকি। আসতে আসতে মনে হয় যেন শুধু সেই দিনগুলোর ছবি চোখের সামনে আসছে, যখন সামনে দেখা স্বপ্নগুলো সব মুছে যায়নি।

মনের প্রক্রিয়া

মানুষের মস্তিষ্ক তিনটি অংশে ভাগ করে। একটি অংশ সমস্ত তথ্য গৃহীত করে পূর্ণ ছবি গঠন করে। এই ছবি পরবর্তী দুই অংশে প্রেরণ করা হয়, যারা আদিম প্রবৃত্তি আর যুক্তিবাদের কাজ করে। বিপদ দেখলে প্রথমে হাজার বছরের আদিম অংশই সাড়া দেয়। সে অংশ আমাদের শেখায় হঠাৎ ঝুঁকি দেখলে কীভাবে নিজেকে বাঁচাতে হবে।

মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে ‘ফাইট অর ফ্লাইট রেসপন্স’। মানে বেঁচে থাকতে হলে হয় লড়াই করো, অথবা পালাও।

১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেন। দেশে দেশে যুগে যুগে সে ছবি অসীম সাহসের প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকবে। কিন্তু একই সঙ্গে সে ছবি অপার নিষ্ঠুরতার, একজন নিরস্ত্র মানুষকে ঠান্ডা মাথায় হত্যার ছবি। সেই দিকটার কথা কতবার চিন্তা করেছি আমরা? কিন্তু মনের গভীরে দুভাবেই এ স্মৃতি জায়গা করে আছে।

জুলাইয়ে পথ আমাদের টেনে নিয়েছে; কারণ মস্তিষ্কের গহিন অংশ থেকে বার্তা এসেছে যে লড়াই করা ছাড়া বেঁচে থাকার আর কোনো উপায় নেই। হয়তো এরপর মস্তিষ্কের যৌক্তিক অংশও তাতে সায় দিয়েছে। তাই ৩৬ দিনের লড়াইয়ে বারবার ঘরে ফিরে এসেও আবার বেরিয়েছি আমরা। মৃত্যু হতে পারে জেনেও পুনরায় বেরিয়েছি।

এত দীর্ঘ সময় ‘ফাইট অর ফ্লাইট’-এর মধ্যে থাকা দেহ-মনের ওপর প্রভাব ফেলেছে। তার ফলে গত দুই বছরে ভাবার সময় খুব কমই মিলেছে। সে সময় কখনো দঙ্গলবাজি ঠেকাতে আবার কখনো সংস্কারের দাবিতে সক্রিয় থেকেছি। নিজের দিকে ফিরে তাকানো ফুরসত মিলেছে সামান্যই। যখন থামার সুযোগ এসেছে, তখনো হয়তো ছুটে চলতে চেয়েছি মনের ক্ষত থেকে ভুলে থাকতে চেয়েছি নতুন ব্যস্ততায়।

এর মধ্যেই নিষ্ঠুরতা আর অবিচার ক্ষতবিক্ষত করেছে বারবার। লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা মন থেকে মুছে যায়নি; বরং সে প্রয়োজনই মুখ্য হয়ে সামনে এসেছে। এরই মধ্যে আমার স্ত্রীর কল্যাণে দক্ষিণ কোরীয় লেখক হেমিন সুনিমের বই হা�

Leave a Comment