Uncategorized

কোন চাকরি টিকবে আর কোনটি যাবে: এআই যুগে দেশের বেসরকারি চাকরিজীবীদের ভবিষ্যৎ

এআই বিশ্বাস করে না মানুষের সামনে ভূমিকা ক ন চ কর ট কব আর - অফিসে সাবেক পরিচিত কথা এখন আর সেই মতো ছিল না—গ্রুপে কৌতুক ঘোরে নতুন কথা। কেউ কেউ নিজের মেইল লিখেছেন

Desk Uncategorized
Published July 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

এআই বিশ্বাস করে না মানুষের সামনে ভূমিকা

ক ন চ কর ট কব আর – অফিসে সাবেক পরিচিত কথা এখন আর সেই মতো ছিল না—গ্রুপে কৌতুক ঘোরে নতুন কথা। কেউ কেউ নিজের মেইল লিখেছেন বলে কৌতুক করেন, কিন্তু বস মনে করেন এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তা লিখেছে। প্রতিবেদনে এই কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে, মানুষের ভাবনা এখন আর নিশ্চিন্ত নয়। সরাসরি কাজের দুনিয়ায় এআই আসে এবং শুধু চাকরির ভাগ বদলে যায়।

তথ্য সংরক্ষণ আর বিনিয়োগ পরিচালনা

হিসাব রাখা বা ভাউচার মেলানো কাজ এখন সফটওয়্যার সম্পন্ন করে। পূর্বে এক দিন রাত কাটত যে কাজগুলো, এখন ক্লিক করে শেষ হয়। সাজিদ হাসান বলেন, শুধু তথ্য তুলে দেওয়ার দিন শেষ, এখন বিশ্লেষণ করতে হবে। অর্থাৎ এআই হিসাব করে দেওয়া হলেও বিনিয়োগ সম্পর্কে গুরুতর সিদ্ধান্ত নিতে মানুষের কাছে হাত বাড়ানো প্রয়োজন।

আসল সৃজনশীলতার জায়গা কোথায়?

এআই কিছু কাজ করে ফেলছে, কিন্তু মানুষের আবেগ আর সৃজনশীলতা এখনো নেই একটি সিলেবাসে। বাইরে যাঁরা শুধু গতানুগতিক লেখা লিখতেন, তাঁদের বাজার কমে গেছে। অন্যদিকে যাঁরা তথ্যবিজ্ঞান বা এআই পরিচালনা করছেন, তাঁদের চাহিদা তুঙ্গে। গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণে এটি স্পষ্ট হয়েছে, রোবট কোনো কাজ করতে পারে না যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বহন করে।

“এআই হিসাব মিলিয়ে দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সেই হিসাব দেখে লাভ-ক্ষতির কৌশল তৈরি করতে হবে মানুষের।”

চ্যাটবটের ভূমিকা ও আপন কর্মকর্তার স্থান

গ্রাহকের জন্য সেবা কাজ এখন চ্যাটবটের হাতে পড়েছে। অনেক ব্যবসায়ী এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিক মানুষের স্থানে বসেছেন এআইয়ের। যেমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের লেখা বা বিজ্ঞাপন এখন এআই দিয়ে করা হচ্ছে। কিন্তু মানুষের সাংবাদিকতা আর জীবনের গল্প যন্ত্র বুঝতে পারে না। কারণ তার মনস্তত্ত্ব আর আবেগ এখনো আছে।

কোন কাজের জন্য সুরক্ষা রয়েছে এআইয়ের সামনে

প্রযুক্তি খাতের ভেতরের খবর হলো, সাধারণ কোডারদের চাহিদা কমছে। কিন্তু যাঁরা মানুষের বুদ্ধিমত্তা আর এআই ব্যবস্থাপনার কাজ করছেন, তাঁদের কাজ অনুপম। বিশেষ করে মানুষের তাৎক্ষণিক উপস্থিতি এবং সূক্ষ্ম কাজ এখন রোবট করতে পারে না। ফলে ফ্রন্ট ডেস্ক বা লজিস্টিকস কর্মকর্তাদের কাজ এখন কম ঝুঁকিতে পড়ছে।

পরিবর্তন আর ভবিষ্যৎ

এসি রুমে মুখস্থ কাজের চাপ কমছে, কিন্তু মানুষের শারীরিক কাজ এখনো সুরক্ষিত। যেমন ইন্টারনাল লজিস্টিকস বা যন্ত্রপাতি বোঝার জন্য মানুষের প্রয়োজন। বিশেষ করে যাঁরা মানুষের মনের মূল্য বুঝতে পারেন, তাঁদের পরিচিতি অবিস্মরণীয়।

বিশ্বাস করা হচ্ছে এআই কম্পিউটার থেকে জুনিয়র প্রোগ্রামারদের কাজ নেবে, কিন্তু পুরো ব্যবস্থার নকশা বানানো কাজ আজকাল মানুষের মেধার উপর নির্ভর করছে। এখন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন বা সামাজিক মাধ্যমে কথার প্রকার এআই দিয়ে চালানো হচ্ছে, কিন্তু এআই আপনার গল্পের আসল সৃজনশীলতা বুঝতে পারে না।

Leave a Comment