রথযাত্রার উৎস ও মূল কাহিনি: সামুদ্রিক উৎসবের প্রাচীন পরিচয়
রথয ত র র ক হ ন – রথযাত্রার কাহিনি একটি মহামান্য পূর্ব ভারতীয় ধর্মীয় উৎসব হিসেবে পরিচিত। এই উৎসব বর্ষবর্ষ সমুদ্রোপকূলে অবস্থিত পুরী শহরে প্রধানত প্রচলিত হয় বারো মাসের তেরো পার্বণের মধ্যে। রথযাত্রার উৎপত্তি কৃষ্ণের মৃত্যুর পর সংঘটিত হয়, যখন তাঁর অর্ধদগ্ধ দেহ সমুদ্রপারে ভাসতে থাকে। এ সম্পর্কে পৌরাণিক সূত্র অনুযায়ী বিস্তারিত বর্ণনা প্রদান করা হয়েছে।
প্রাচীন কাহিনি এবং ধর্মীয় সংস্কৃতি
পুরাণ অনুযায়ী, বৃদ্ধ দারুশিল্পী বিশ্বকর্মা স্বয়ং বিষ্ণুর শরণাপন্ন হন ইন্দ্রদ্যুম্ন রাজার কাছে। তাঁর অর্ধসমাপ্ত মূর্তি গড়ার কাজে অধৈর্য হয়ে দারুশিল্পী মূর্তি তৈরি করতে শুরু করেন রথযাত্রার কাহিনি নিয়ে কথা বলেন। ইন্দ্রদ্যুম্ন রাজা হা-হুতাশ হন যখন তিনি অর্ধসমাপ্ত মূর্তি দেখেন এবং দারুশিল্পী অনুপস্থিত থাকেন। সেই সময় নারদ মুনি পরামর্শ দেন যে অর্ধসমাপ্ত মূর্তিকে পূজা করা যাবে। এ থেকে জগন্নাথদেব রথযাত্রার আয়োজন প্রাপ্ত হন রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন বিশেষ ভাবে।
পুরাণ বলে, বৃদ্ধ দারুশিল্পী হলেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা। তিনি ইন্দ্রদ্যুম্ন রাজার কাছে আসতে হয় মূর্তি গড়ার কাজের অগ্রগতি দেখতে। এরপর তারা গভীর অরণ্যে মূর্তি পূজা করে এবং পুরীতে জগন্নাথদেব পূজিত হয়।
প্রতিবছর অক্ষয় তৃতীয়ার দিন রথযাত্রার প্রস্তুতি শুরু হয়। রথযাত্রা শুরুর ষোলো দিন আগে মহাধুমধাম করে স্নানযাত্রা হয়। জ্যৈষ্ঠ মাসের পূর্ণিমায় জগন্নাথ, সুভদ্রা ও বলরামকে স্নান করানো হয় যথারীতি। এ সময় জগন্নাথদেব জ্বর আসে যে কারণে তিনি মন্দিরের মধ্যে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের আড়ালে থাকেন। এর পর তিন দেবতার নতুন মূর্তি তৈরি হয় এবং রথযাত্রার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
রথের মূল বৈশিষ্ট্য এবং সাজানো পদ্ধতি
রথগুলো স্থাপন করা হয় মূল মন্দির থেকে গুন্ডিচা মন্দিরে পৌঁছায় তিন কিলোমিটার দূরে। এ রথগুলো জগন্নাথের স্বামী ও সারথি হিসেবে বিশেষত্ব নিয়ে থাকে। রথযাত্রার উৎপত্তি ও প্রাচীনত্বে এই মাহেশের রথ বাংলা�
