Uncategorized

জীবনের মঞ্চে রামেন্দু মজুমদারের ৮৫ বছর

জ বন র মঞ চ র ম - গত রোববার ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এক বিশেষ অনুষ্ঠান। সেখানে দেশের নাটক ও সংস্কৃতির এক বরেণ্য ব্যক্তিত্ব রামেন্দু

Desk Uncategorized
Published August 10, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Capture-1
Foto : Elizabeth Smith - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. রামেন্দু মজুমদারের জীবনযাত্রার ছবি বই আকারে প্রকাশ
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

রামেন্দু মজুমদারের জীবনযাত্রার ছবি বই আকারে প্রকাশ

Banglaprabah.com – জ বন র মঞ চ র ম – গত রোববার ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এক বিশেষ অনুষ্ঠান। সেখানে দেশের নাটক ও সংস্কৃতির এক বরেণ্য ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদারের ৮৬তম জন্মদিন পালিত হয়। এই উপলক্ষে ‘ইচ্ছাপূরণ’ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর জীবনের বহুমাত্রিক কর্মময়তার ছবির বই প্রকাশিত হয়। বইটির নাম ‘রামেন্দু মজুমদার: স্টেজিং আ লাইফটাইম, আ পিকটোরিয়াল ক্রনিকল’।

জীবনের মূল্যবোধ নিয়ে চিন্তা

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়ে আজ মনে হচ্ছে জীবনটা কতই না মূল্যবান। কত সময় অপচয় করেছি। বাঁচার ইচ্ছা তো মানুষের শেষ হয় না। কিন্তু জীবন শেষ হয়। সেটিই চূড়ান্ত সত্য। তাই যে দিনগুলো বাঁচি, যেন অর্থবহ কাজ করতে পারি। মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে পারি।

জীবনের ৮৫তম বছর পার করে এসে এই আকাঙ্ক্ষার কথা জানান রামেন্দু মজুমদার। দ্বিভাষিক বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি জন্মদিনের অনুভূতি জানাতে গিয়ে এই কথা বলেন। সন্ধ্যায় আয়োজন করা এই অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল ছায়া কর্মকারের গাওয়া ‘আমি অকৃতি অধম বলেও তো কিছু/ কম করে মোরে দাওনি’ গান দিয়ে।

বইটির গঠন ও বিষয়বস্তু

বইটির প্রকাশক ও সম্পাদক ত্রপা মজুমদার জানান, বছর দশেক ধরে এমন একটি বই প্রকাশের ভাবনা তাঁদের ছিল। এবার তা বাস্তবে রূপ পেল। বইটিতে প্রায় ২০০টি ছবি এবং ১০টির বেশি লেখা রয়েছে। রামেন্দু মজুমদারের জীবন বহুমুখী কর্মের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত হয়েছে। সেসবের পরিচিতি সবিস্তার তুলে আনা দুরূহ। অনেক ছবির মধ্য থেকে বাছাই করে মোটাদাগে তাঁর সেই কর্মময়তার প্রকাশ করার প্রচেষ্টা এতে রয়েছে।

বইটিতে মোট সাতটি পর্বে ছবিগুলো সাজানো হয়েছে। শুরু হয়েছে লক্ষ্মীপুরে রামেন্দু মজুমদারের জন্ম ও শিক্ষা নিয়ে। এরপর আছে তাঁর থিয়েটার চর্চা ও বিকাশ, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, বিজ্ঞাপনী সংস্থার পেশাগত জীবনের কাজ, নাটক, চলচ্চিত্র ও বেতার–টেলিভিশনে খবর পাঠ নিয়ে একটি পর্ব। আরও আছে তাঁর ব্যক্তিজীবন এবং শেষে সাংগঠনিক ও অন্যান্য কাজ।

লেখকদের অবদান

লেখকেরা তাঁর সম্পর্কে আলোচনা করে মূলত এই ছবির বইটিকে আরও মূল্যবান করে তুলেছেন। বইটি প্রকাশ করেছে ‘ইচ্ছাপূরণ’ নামের যে প্রতিষ্ঠান, তারও আত্মপ্রকাশ ঘটল এই প্রকাশনা দিয়ে। প্রকাশক ত্রপা মজুমদার জানান, তাঁর মেয়ে ‘ইচ্ছা’-র নাম অনুসারেই প্রকাশনাটির নামকরণ। ভবিষ্যতে তাঁরা বই নিয়ে ধারাবাহিক কাজ করতে চান।

অতিথিদের মতামত

বইটির পরিচিতির পর সঞ্চালক আপন আহসান রামেন্দু মজুমদারের সঙ্গে বিভিন্ন সম্পর্কে ঘনিষ্ঠ কয়েকজনকে ডাকলেন তাঁকে নিয়ে কিছু বলতে। ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউটের (আইটিআই) সম্পাদক দেবপ্রসাদ দেবনাথ বললেন, রামেন্দু মজুমদারের সঙ্গে তাঁর ৪০ বছরের সম্পর্ক। কখনো তিনি এমন করে জন্মদিনের অনুষ্ঠান করেন না। আজ এক বিশেষ উপলক্ষ। বাংলাদেশের নাটকে তাঁর ভূমিকা বটবৃক্ষের মতো। নাট্যকর্মীদের প্রাণ দিয়ে, অন্তর দিয়ে কাজ করতে শিখিয়েছেন। দেশে তিনি আধুনিক নাট্যচর্চার অন্যতম স্থপতি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের নাটকের পরিচিত পৌঁছে দিচ্ছেন আইটিআই-র সভাপতির দায়িত্ব পালন করে।

বিজ্ঞাপনী সংস্থা বিটপীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সারাহ আলী বলেন, রামেন্দু মজুমদার একজন অত্যন্ত সৎ, পরিশ্রমী ও মেধাবী মানুষ। তাঁর বাবা রেজা আলীর সঙ্গে রামেন্দু মজুমদার বিটপীর মাধ্যমে দেশে বিজ্ঞাপনী সংস্থার সৃজনশীল কাজকে বহুদূর সম্প্রসারিত করেছেন।

তরুণ থিয়েটার কর্মী শেকানুল ইসলাম বলেন, রামেন্দু মজুমদার এখনো দেশের থিয়েটার কর্মীদের অন্যতম প্রধান আশ্রয়স্থল। যেকোনো সমস্যা নিয়ে তাঁর কাছে যাওয়া যায়। তিনি সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা করেন। থিয়েটারের নান্দনিকতার বাইরেও তাঁর সাংগঠনিক ক্ষমতাও অসাধারণ। তিনি সবসময় তরুণদের এই শিক্ষাই দিয়েছেন সাংগঠনিকভাবে কিছু করতে না পারলে তা টেকসই হয় না। নাটকের দল থিয়েটার ছাড়াও থিয়েটার পত্রিকা ও থিয়েটার স্কুল পরিচালনা ও আইটিআই-র কাজে তিনি তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতার অনন্য দৃষ্টান্ত রেখেছেন।

পারিবারিক স্মৃতি ও ঐতিহ্য

পরিবারের পক্ষে কুর্‌রাতুল-আইন-তাহ্‌মিনা দীর্ঘদিনের স্মৃতিচারণা করেন। তিনি বলেন, পারিবারিক সম্পর্কের দিক থেকে তিনি ‘খালু’ হলেও তাঁকে ‘কাকা’ বলে ডাকেন। কারণ, তাঁর খালা ফেরদৌসী মজুমদারের সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই তাঁদের বাসার রামেন্দু মজুমদারের নিয়মিত যাতায়াত ছিল এবং তখন তিনি ‘কাকা’ বলেই ডাকতেন। পরে সম্পর্ক বদলালেও সেই ‘ডাক বদলায়নি’। পরিবারের অনেক মধুর স্মৃতি তিনি তুলে ধরেন।

প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, রামেন্দু মজুমদারের জন্মদিনের কথা মনে করে আজ সারা দিন তিনি সেই ৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ছাত্র ইউনিয়ন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি সংসদের নেতৃত্ব, ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ৭০-এর নির্বাচন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহে নিমজ্জিত ছিলেন। তিনি স্মৃতি থেকে সেসব তুলে আনেন। প্রথম আলো সম্পাদক বলেন, ‘শহীদ মুনীর চৌধুরী, কবীর চৌধুরী, রামেন্দু মজুমদার, ফেরদৌসী মজুমদার, ত্রপা মজুমদারসহ এই পরিবারের ভূমিকা আমাদের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটি বিশেষ ঐতিহ্যের ধারা সৃষ্টি করেছে। কিন্তু আমরা যেন আমাদের সেই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে ক্রমেই সরে যাচ্ছি। বিভেদ, অসহিষ্ণুতা ক্রমেই প্রবলতর হচ্ছে। আমরা বারবার আন্দোলন করছি, লড়াই করছি, আত্মদান করছি, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে আমাদের উত্তরণ হচ্ছে না। এভাবেই কি একই বৃত্তে আমরা আটকে থাকব’—এই জিজ্ঞাসা রাখেন তিনি।

নিজের কথা রামেন্দু মজুমদার

সবশেষে নিজের কথা বলতে এলেন রামেন্দু মজুমদার। শুরুতেই স্মরণ করলেন মা–বাবাকে। বাবার উদারনৈতিক চরিত্র কীভাবে তাঁর হৃদয়কে প্রসারিত করেছে, বললেন সে কথা। শ্রদ্ধা জানালেন মায়ের মমতার প্রতিও। এরপর স্ত্রী

Frequently Asked Questions

What is জ বন র মঞ চ র ম?

জ বন র মঞ চ র ম is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does জ বন র মঞ চ র ম matter?

জ বন র মঞ চ র ম matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment