চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কে পাহাড়ধস, যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়ে পড়েছে
চট টগ র ম র ঙ ম দিয়ে গত কয়েকদিনের অতিবৃষ্টির প্রভাবে চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি সংযোগ সড়কে মাটি ও পাহাড় ধস ঘটে। ঘটনাস্থলে সড়কের উপর বিশাল পাহাড় ধসের ফলে মাটির স্তূপ জমা হয়েছে যা যানবাহন চলাচলকে পূর্ণতা পর্যন্ত ব্যাহত করেছে। সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক পরিচালনা শুরু করেন। প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর সড়কের একটি পাশ খুলে দেওয়া হয়। এখন ছোট যানবাহন পুনরায় চলাচল শুরু করেছে কিন্তু বড় বাহনগুলো পর্যন্ত সড়ক ব্যবহারে সীমিততা রয়েছে। এ সড়ক রক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি দুটি জেলার মধ্যে জনপ্রিয় সংযোগ রেখা। সড়কে এমন ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা খুবই উপস্থিত হয়েছে যেহেতু এই অঞ্চলটি বৃষ্টির কারণে মাটি ঝরাঝরা হয়ে যায়।
পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও প্রতিক্রিয়া
বৃষ্টির কারণে সড়ক পাহাড় ধসের কারণে জনপ্রবাহ অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও সরাসরি পরিচালনা শুরু হয়। রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাথে সংযুক্ত কর্মীদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে যানবাহন চলাচলকে সাময়িক সুবিধা দেওয়া যায়। কাপ্তাই উপজেলার মতিপাড়া এলাকায় ধসের ঘটনার পর সংযোগ কর্মীদের কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে। পরিস্থিতির অবিলম্বে আবার সাপছড়ি ইউনিয়নের দেপ্পোছড়িমুখ এলাকায় সড়কে এক পাশে ধস ঘটে। এখন তারা সড়কে মাটি সরিয়ে প্রাথমিক পরিচালনা করছে।
“গত কয়েক দিনের অতিবৃষ্টির ফলে রাতের কোনো এক সময় মতিপাড়া এলাকায় সড়কের ওপর পাহাড় ধস ঘটে। সকাল থেকে এ সড়কে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে,” বলেন রাইখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মংক্য মারমা।
“পাহাড়ধসের খবর পেয়ে সওজের একটি দল রাজস্থলী ও চন্দ্রঘোনা-বাঙ্গালহালিয়া সড়কের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এর মধ্যেই আবার সাপছড়ি ইউনিয়নের দেপ্পোছড়িমুখ এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। সেখানে আমাদের টিম কাজ করছে,” জানান রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা।
পুনরায় সংযোগ ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি
দুপুর সাড়ে ১২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মাটি সরানোর কাজ চলছিল। সড়ক বিভাগ ও স্থানীয় বাসিন্দারা এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদানের জন্য সরাসরি সংযোগ করে
