বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতার বহিষ্করণ
চ ড় র ণ ব হ গ – গতকাল বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা করা হয়েছে যে চিংড়ি রেণুবাহী গাড়ি আটকে চাঁদাবাজির অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে বহিষ্কৃত করা হয়েছে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন গতকাল সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। এর সাথে সব পর্যায়ের নেতা–কর্মীদের সাংগঠনিক সম্পর্ক ছাড়া থাকার নির্দেশনা জারি করা হয়।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একটি সূত্র জানায়, ভোলা–বরিশাল মহাসড়কে চিংড়ি ও জাটকা ইলিশবাহী মাইক্রোবাস ও পিকআপ আটকে চাঁদাবাজি, গাড়ি ভাঙচুর ও চালককে মারধরের অভিযোগ ওঠে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাধিক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে। পরে গাড়ির চালক ও সহকারীকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন মেরিন একাডেমির নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে মারধর করা হয়। ভয়ভীতি দেখিয়ে রেণুর মালিককে ফোন করে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। এ সময় জীবন বাঁচাতে বিকাশের তিনটি নম্বরে ৯৫ হাজার টাকা ও নগদ পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে ছাত্রদলের নেতাদের ছাড়া পাওয়া হয়।
“আমাকে এখানে ফাঁসানো হচ্ছে। খায় সবাই মিলে, কিন্তু নাম হয় শুধু আমার। এর সঙ্গে এলাকার কিছু লোকও জড়িত আছে। আমি দ্রুত সাংবাদিকদের মাধ্যমে মূল হোতাদের নাম সামনে নিয়ে আসব।”
পরে ছাত্রদলের নেতারা ওই মাইক্রোবাসের পিছু নেন। গাড়িটি রূপাতলী ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কাছে পুলিশের টহল গাড়ির সামনে দাঁড়ালে ছাত্রদলের সাত থেকে আট নেতা–কর্মী চালক ও সহকারীকে মারধর করেন। এতে চালক ও সহকারী গুরুতর আহত হন। মাইক্রোবাসটির গ্লাস ও অন্যান্য অংশ ভাঙচুর করা হয়।
গত ২৯ জানুয়ারি রাত ১১টার দিকে ভোলা–বরিশাল মহাসড়কের তালুকদার মার্কেট এলাকায় জাটকা ইলিশবাহী আরেকটি গাড়ি আটকে চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না পেয়ে চালককে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।
উল্লেখ্য, ১ মে মোশাররফ হোসেনকে সভাপতি ও আরিফ হোসাইনকে (শান্ত) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ঘোষণা করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি।
