চট্টগ্রাম নগরের প্রতি চার বাড়ির মধ্যে একটিতে ডেঙ্গুর লার্ভা
চট টগ র ম নগর র প – পানি জমে থাকা ফুলের টবে ও বাড়ির ছাদের কোণে এখনও নিয়মিত দেখা যাচ্ছে। চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগ চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পরীক্ষার জন্য ৩৭০টি বাড়ি নমুনা সংগ্রহ করেছে। এ কার্যক্রমে দেখা গেছে প্রতি ১০০টি বাড়ির মধ্যে ২৭টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। এটি বোঝায় চট্টগ্রাম নগরে প্রতি চারটি বাড়ির মধ্যে একটি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে।
গত পাঁচ বছরের তথ্য অনুযায়ী জুলাই-আগস্টে ডেঙ্গু সংক্রমণ বেশি
গত পাঁচ বছরের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে জুলাই-আগস্টে ডেঙ্গু সংক্রমণ কমবেশি সীমাহীন। এ বছর ৮ থেকে ২০ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নগরে ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের বাহক এডিস মশার সার্ভে’ শিরোনামে জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরে জরিপের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জরিপ দল। সেখানে চার দফা জরুরি সুপারিশও দেওয়া হয়েছে।
নিয়মিত বাড়ির ছাদের কোণে জমে থাকা পানির পাত্রে লার্ভা পাওয়া গেছে
জরিপে প্রাপ্ত লার্ভার মধ্যে শুধুমাত্র প্রতি ১০০টি বাড়ির মধ্যে ২৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ বাড়িতে লার্ভা পাওয়া গেছে। এই সময় নির্মাণাধীন ভবনের ফ্লোরেও এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। তার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের বালতি, ড্রাম, টব, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, এসির ট্রে এবং ফ্রিজের ট্রেতে লার্ভা পাওয়া গেছে। বিশেষ করে মাটির পাত্র ও নির্মাণসামগ্রীতে এডিস মশার লার্ভা নিশ্চিত করা হয়েছে।
“আমরা নির্মাণাধীন ভবনের লিফটের জন্য রাখা জায়গায় এডিসের লার্ভা পেতাম। এবার দেখা গেছে এসব ভবনের ফ্লোরেও লার্ভা পাওয়া গেছে, যেখানে সিমেন্টও ছিল।”
চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগ বলেছেন, সাধারণত কনটেইনার ইন
