সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো তিন ধাপে থেকে দুই ধাপে পরিবর্তিত হবে
নত ন ব তনক ঠ ম ত – সরকার গত সপ্তাহে প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তাবে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন প্রণালী দুই ধাপে প্রয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ পরিবর্তনের কারণে আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে। এর পরের মাসে ভাতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেওয়া হবে। কমিটির পরামর্শে প্রাথমিক সংস্কারের পর আর্থিক সম্ভাব্যতা পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ কারণে সরকার দুই ধাপে কাঠামো প্রয়োগ করেছে।
গত এপ্রিল মাসে মন্ত্রিপরিষদের সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি নতুন বেতন ব্যবস্থার প্রয়োগের জন্য তিন ধাপে ব্যবস্থা করেছিল। সেই পরামর্শ অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে মূল বেতনের অর্ধেক বৃদ্ধি হবে। অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ নতুন বেতন আগামী ২০২৭ সালের শুরুতে কার্যকর হবে। কিন্তু নির্মাণের হিসাবে দেখা গেছে যে তিন ধাপের পরিকল্পনা সাধারণ মানুষের ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে বেশি চাপ তৈরি করে।
সরকারি কর্মচারীদের বর্তমান মূল বেতন পরিমাণ নিয়ে নবম বেতন কমিশন পরামর্শ দিয়েছিল। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা হতে পারে। এ বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল।
“সরকারের আর্থিক সংগতি থাকলে এটি একবারে করা হত। তবে দুই ধাপে করতে পারলেও ভালো,” বলেন সাবেক অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ। তিনি আরও দাবি করেন যে কর্মচারীদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করা অপরিহার্য হবে।
পরিচালনা ও উন্নয়ন বাজেটে জনপ্রশাসনের খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। এটি গত অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দের তুলনায় ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা বেশি। কমিটির সম্মতি নিয়ে সরকার নতুন বেতন প্রণালী গৃহীত হবে যে বছরে অতিরিক্ত প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা বেতন ও ভাতা বাবদ রাখা হয়েছে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মূল্যস্ফীতি হিসাবে বছরে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা বেতন বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন। অতিরিক্ত অর্থনীতির সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনা করা প্রয়োজন। নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশ্লেষণ অনুযায়ী এ সমস্যা সমাধানের প্রয়োজন রয়েছে।
বর্তমানে অষ্টম বেতন কাঠামোয় সর্বনিম
