বাংলাদেশ ব্যাংক সংগঠনের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিশ্রুতি
আর থ ক খ ত র জন – বিএবি প্রস্তাবিত বাজেটকে আর্থিক খাতের জন্য একটি সাহসী এবং যুগান্তকারী নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে। সংগঠনটি এই বাজেটের মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংকগুলোর মূলধন বৃদ্ধির জন্য ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে। এছাড়া সুশাসন সংস্কার ও বন্ড-মার্কেট বিকাশের প্রতিশ্রুতি স্বাগত জানায় বিএবি। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন বেসরকারি ঢাকা ব্যাংক চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার।
বিএবির প্রাথমিক প্রস্তাব
বিএবি আরও দাবি করেছে যে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে কেবল অর্থ প্রদান করে হার্জন দূর করা যাবে না, এগুলো দুর্দশার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের পুনর্বাসন রোধ করতে হবে। সংগঠনটি আবেদন করেছে যে অনিয়মের মাধ্যমে ব্যাংকের শেয়ার কিনেছে ব্যক্তিদের স্বচ্ছভাবে বিচার করা প্রয়োজন। তাদের স্বাক্ষর করেছে সংস্কারের আওতায় ব্যাংক খাতের টেকসই উন্নয়নে আটটি ক্রমাগত বিষয়ে জোর দিয়েছে।
বিশেষ প্রস্তাবিত বিষয়গুলো
বিএবি তার বিবৃতিতে মন্তব্য করেছে যে খেলাপি ঋণ কমাতে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি প্রতিষ্ঠা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম কমানোর জন্য কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন। আমানতের জন্য আবগারি শুল্কমুক্ত সীমা ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলে সেই সুযোগে আমানতকারী ও ঋণগ্রহীতারা উপকৃত হবেন।
ব্যাংক খাত থেকে লুণ্ঠিত সম্পদ উদ্ধার ও সরকারের ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা গেলে এই বাজেট দেশের আর্থিক খাতের জন্য একটি ঐতিহাসিক টার্নিং পয়েন্ট হয়ে থাকবে।
সংগঠনটি আরও বলেছে যে শক্তিশালী ব্যাংক ছাড়া শক্তিশালী অর্থনীতি হতে পারে না। ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত ধাপে ধাপে অব্যাহত রাখা গুরুত্বপূর্ণ। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর করহার কমানো এবং প্রাতিষ্ঠানিক লভ্যাংশের ওপর কর প্রত্যাহার করা প্রস্তাবিত হয়েছে।
বিএবি আর্থিক খাতের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল অবকাঠামো, হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার ব্যবহারে করমুক্ত নীতি প্রয়োগ করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রভিশনিং ঘাটতি করযোগ্য আয়ের বাইরে রাখা সংস্কারের আওতায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নয়নে গুরুতর বিশেষ স্থান দখল করবে।
