Uncategorized

ঘুরে বেড়ায় বুনো হাতি, রাতে নামে মেছো বিড়াল, গোরখোদক, শজারু

ঘুরে বেড়ায় বুনো হাতি, রাতে নামে মেছো বিড়াল, গোরখোদক, শজারু বিপুল প্রাণী সম্পদ বিস্তার ঘ র ব ড় য় ব ন - চট্টগ্রামের বাঁশখালী ইকোপার্কে বুনো হাতি নিয়মিত

Desk Uncategorized
Published June 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ঘুরে বেড়ায় বুনো হাতি, রাতে নামে মেছো বিড়াল, গোরখোদক, শজারু

বিপুল প্রাণী সম্পদ বিস্তার

ঘ র ব ড় য় ব ন – চট্টগ্রামের বাঁশখালী ইকোপার্কে বুনো হাতি নিয়মিত বিচরণ করে। রাতে মেছো বিড়াল, গোরখোদক, শজারু ও অন্যান্য জন্তুদের ধরা পড়ে ক্যামেরা ট্র্যাপে। পাখি প্রাণীর অনুসন্ধানে জলাধার এবং গাছের ডালে বসে ডাক দেয় বউকথা কও। বনাঞ্চলে তক্ষক, রামগাদি গুইসাপ এবং রক্তচোষা সরীসৃপের উপস্থিতি প্রমাণিত হয়েছে।

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) এক জরিপ দেখায় বাঁশখালী ইকোপার্কে কমপক্ষে ১৭৩ প্রজাতির বন্য প্রাণী বসবাস করছে। এর মধ্যে ২৩ স্তন্যপায়ী, ১২৬ পাখি, ১৬ সরীসৃপ এবং ৮ উভচর প্রাণী শনাক্ত করা হয়েছে। জরিপটি ২০২৩-২৪ থেকে ২০২৪-২৫ মেয়াদে চালু হয়েছিল। দিনের সময় নির্দিষ্ট পথে সরেজমিন পর্যবেক্ষণ ও রাতে ক্যামেরা ট্র্যাপ ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

“জরিপে ইকোপার্কের বন্য প্রাণী সম্পদ প্রমাণ করে যে এখনও অনেক প্রজাতির পাখি আবাসস্থলে অবস্থান করছে,” বলেন জ্যেষ্ঠ গবেষণা কর্মকর্তা আনিসুর রহমান।

বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য বৃদ্ধির কারণ

২০০৩-০৪ অর্থবছরে ইকোপার্কটি গঠনের উদ্যোগ হয়। এ বনাঞ্চলের কাছে ছোট বড় পাহাড়, কৃত্রিম জলাধার এবং বনভূমি একত্রিত হয়েছে একটি বিস্তৃত প্রাকৃতিক পরিবেশ। স্তন্যপায়ী ও পাখির সম্পদ বৃদ্ধির সাথে সরীসৃপ ও উভচর প্রাণীও অনুপস্থিত হয়েছে।

১৯৯৭ সালে প্রাণী জরিপে বাঁশখালী ইকোপার্কে ১৯ স্তন্যপায়ী, ৫৩ পাখি, ৭ সরীসৃপ ও ৪ উভচর প্রজাতি ছিল। বন দখল, পান চাষ ও বৃক্ষনিধনের কারণে অনেক প্রাণী সংকটে পড়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক জরিপ দেখায় বন্য প্রাণীর সংখ্যা অনেক বেশি হয়েছে।

প্রাণী সম্পদের সংকট ও সমাধানের প্রয়োজন

আনিসুর রহমান বলেন, জলচর পাখির আবাসস্থলে দর্শনার্থীদের কারণে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। স্তন্যপায়ী ও সরীসৃপ প্রাণী পরিবেশের স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে কাজ করে। এশীয় হাতির জন্য খাদ্যগাছ ও চারণ উদ্ভিদের ঘাটতি রয�

Leave a Comment