কাজুবাদাম নিয়ে এক পদক্ষেপে খুশি, অন্যটিতে বড় শঙ্কা
ক জ ব দ ম ন য় – নীলফামারীর জ্যাকপট ক্যাশু নাট ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইবনুল আরিফুজ্জামান বাজেট বক্তৃতা ডাউনলোড করে সেখানে নজর দিচ্ছিলেন। পিডিএফে ২৪০ পৃষ্ঠার নথিতে সার্চ দিয়ে চলে এলেন ২০৯ নম্বর পাতায়। পৃষ্ঠার দেখা গেল প্রস্তুত কাজুবাদাম আমদানির ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য ৭ ডলার নির্ধারণ করেছে সরকার। পূর্বে এটি ৪ থেকে ৬ ডলার ছিল। এতে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের মূল্য কারসাজি কঠিন হয়ে গেছে।
তবে আরেকটি সূত্রে জানা গেল কাঁচা কাজুবাদাম আমদানির শুল্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন এটি ১৫ শতাংশ হয়েছে যা আগে ১ শতাংশ ছিল। সাথে ভ্যাট অব্যাহতি তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবসায়ীদের বিষয়টি কিছুটা প্রতিকূল করে তোলে।
বর্তমানে প্রায় পাঁচ কেজি কাঁচা কাজুবাদাম থেকে এক কেজি খাওয়ার উপযোগী কাজুবাদাম পাওয়া যায়। নতুন শুল্কহারে ওই কাঁচামাল আমদানিতে শুধু শুল্ক–করই দিতে হবে প্রায় ৪৭৩ টাকা। আমদানি মূল্য যোগ করলে বন্দর থেকে খালাসের পর খরচ দাঁড়াবে প্রায় দেড় হাজার টাকা। তার বিপরীতে ভারত থেকে প্রস্তুত কাজুবাদাম আমদানি করলে খরচ পড়বে প্রায় ১ হাজার ২৬২ টাকা এবং ভিয়েতনাম থেকে আনলে প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকা।
আর্থিক সুবিধা ও চ্যালেঞ্জ
সাফটা সুবিধার কারণে ভারতীয় কাজুবাদাম বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে চলে যেতে পারে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। প্রস্তাবিত শুল্ক কাঠামোর ফলে কাঁচামাল আমদানি কঠিন হয়ে গেছে। এই নতুন পদক্ষেপ কারখানাগুলোকে পুনরায় চাপে ফেলেছে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তাদের কাছে।
ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য ৭ ডলার করায় খাওয়ার উপযোগী কাজুবাদাম আমদানির ক্ষেত্রে মূল্য কারসাজি কমবে, এটা ইতিবাচক। কিন্তু কাঁচামালের শুল্ক ১৫ শতাংশ করায় প্রক্রিয়াজাত শিল্প নতুন করে চাপে পড়বে। দেশীয় উৎপাদন এখনো এতটা নয় যে শুধু স্থানীয় কাঁচামাল দিয়ে কারখানা চালানো যাবে।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যাশু প্রসেসরসের সভাপতি মোহাম্মদ আজাদ ইকবাল পাঠান বলেন, কাঁচামাল গুরুত্বপূর্ণ কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাত করা সময়সাপেক্ষ ও শ্রমঘন একটি কাজ। খোসাসহ কাঁচা বাদাম সংগ্রহের পর তা বাষ্পে সেদ্ধ, শুকানো, খোসা ছাড�
