Uncategorized

‘কাগজপত্র’ ছাড়াই চলছিল কলকাতার হোটেলটি

ক গজপত র ছ ড় ই চলছ - মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটার কাছাকাছি সময়ে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটে অবস্থিত শিখা ইন্টারন্যাশনাল হোটেলের চতুর্থ তলায় আগুন ধরার ঘটনা

Desk Uncategorized
Published August 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
kolkata-hotel-fire-special-01-1
Foto : Jennifer Rodriguez - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ড: কাগজপত্রবিহীন ভবনে নয়জন প্রাণহানি
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ড: কাগজপত্রবিহীন ভবনে নয়জন প্রাণহানি

ঘটনার পরিস্থিতি ও ক্ষয়ক্ষতি

Banglaprabah.com – ক গজপত র ছ ড় ই চলছ – মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটার কাছাকাছি সময়ে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটে অবস্থিত শিখা ইন্টারন্যাশনাল হোটেলের চতুর্থ তলায় আগুন ধরার ঘটনা ঘটে। আবাসিক ভবনের সব আলো নিভে গেছে, অতিথিরা ঘুমাচ্ছেন — এমন এক নিশ্চুপ রাতের মাঝে হঠাৎ ধোঁয়ার স্তম্ভ উঠে আসে। দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সময় পুরো ভবন ধোঁয়ায় মুখ হয়ে যায়। এই ভয়াবহ দাবানলে মোট নয়জন প্রাণ হারান, যার মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক ও দুজন ভারতীয়। ছয়জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মৃতদের পরিচয়

বাংলাদেশি শহীদের মধ্যে চারজন কুষ্টিয়া জেলার বাসিন্দা। তাঁরা হলেন দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), তিন বছরের ছেলে শর্ণশীষ দত্ত এবং শ্বশুর আকরাম হোসেন (৬০)। চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ঠিক পনেরো দিন আগে এই পরিবার ভারতে প্রবেশ করেছিল। ঢাকার সাভারের আহমেদ বাবু (৩৭) আরেকজন শহীদ। সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের বাসিন্দা এসএম আলিমুজ্জামান ও রেবতী সরকার — এই দুজনও মৃতালয়ে যুক্ত।

ভারতীয় শহীদের একজন ঝাড়খণ্ডের সন্দীপ পাশওয়ান, যিনি ওই হোটেলের কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। আরেকজন যোগনারায়ণ আগরওয়াল (৬৮), পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির বাসিন্দা।

সাক্ষীদের বর্ণনা ও দমকলের সাড়া

শিখা ইন্টারন্যাশনালের ঠিক বিপরীতে একটি কার্পেট দোকানে কর্মরত রাশেদ আলী প্রথম আলোকে জানান:

মোটামুটি রাত দেড়টা নাগাদ একজন মহিলা ও একজন পুরুষকে ওপরের ওই জানালা (ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের মুখোমুখি) থেকে চিৎকার করতে শোনা যায়। অনেকেই ভয়ে বেরোননি।

হোটেলের এক বাড়ি দূরেই নিউমার্কেটের দমকল স্টেশন অবস্থিত। রাশেদের বর্ণনা অনুযায়ী দমকল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আগুন ভবনের পেছন দিক থেকে শুরু হয়েছিল। পেছন দিকে গিয়ে দেখা যায় একটি বিশাল এয়ারকন্ডিশন ইউনিট ও সংলগ্ন পাঁচিল সম্পূর্ণ কালো হয়ে গেছে।

ভবনের কাঠামোগত ত্রুটি

সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, হোটেলটির প্রবেশপথ অত্যন্ত সংকীর্ণ। ভেতরে পুরোনো দিনের লোহার বাঁকানো সিঁড়ি রয়েছে। ফায়ার এক্সিট বা দ্বিতীয় উদ্ধারপথের কোনো ব্যবস্থা নেই। ভবনের পেছন দিকে বহু স্থানে ইট দিয়ে দেয়াল গেঁথে ভবনটিকে কঠোরভাবে টিকিয়ে রাখা হয়েছে।

তদন্ত, গ্রেপ্তার ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ

পুলিশ হোটেলের মালিককে গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হলেও জমির মালিককে আটক করা হয়েছে। হোটেলটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। কলকাতা পৌরসভা শহরের একাধিক বাণিজ্যিক ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষার জন্য পৃথক তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে।

এই চত্বরে শিখা ইন্টারন্যাশনালের পাশাপাশি স্টার সিটি, ডিম্যাট্রিক, থাইবা ও মরিয়ম — এই চারটি হোটেলের সাইনবোর্ডও দেখা যায়। তাঁদের কাগজপত্রের সঠিকতা যাচাই করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের পর্যবেক্ষণ

একই এলাকার একটি বাসায় থাকা ফল বিক্রেতা এনামুল প্রথম আলোকে বলেন:

যেহেতু বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের এবং ভারতের অন্য রাজ্যের মানুষ এ অঞ্চলে এসে হোটেল খোঁজেন, তাই এখানে কিছুদিন অন্তর নতুন হোটেল তৈরি হয়।

এনামুলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক পুলিশ সদস্য মন্তব্য করেন, এই এলাকার বড়সংখ্যক হোটেলেরই বৈধ কাগজপত্র নেই।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

বুধবার দুপুরে হোটেলের সামনে পুলিশ সদস্য ও সংবাদকর্মীরা চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। চতুর্থ তলার প্রবেশপথ সম্পূর্ণ বন্ধ। দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী প্রশ্ন তোলেন — এতগুলো হোটেল কীভাবে চলছিল। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, এই বিষয়ে তাঁর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের পুর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন:

এরা ট্রেড লাইসেন্স কী করে পেল, ইলেকট্রিক সাপ্লাই করপোরেশন এদের কীভাবে অনুমতি দিল, বিদ্যুৎ সরবরাহই বা কীভাবে হলো? এ ছাড়া দমকল বিভাগের পারমিশন আছে কি না, সেটাও দেখার বিষয়। আমরা একটা দল গঠন করে এর তদন্ত করব; কিন্তু এটা বলব যে কলকাতা পুরসভাসহ গোটা পশ্চিমবঙ্গে এ ধরনের বেআইনি হোটেল চালাতে দেওয়া যাবে না।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এটি ‘দীর্ঘদিনের গাফিলতি ও উদাসীনতার ফল’ — অর্থাৎ আগের সরকারগুলোর অব্যবস্থার জন্য সরাসরি দায়ী করেছেন তিনি।

Frequently Asked Questions

What is ক গজপত র ছ ড় ই চলছ?

ক গজপত র ছ ড় ই চলছ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ক গজপত র ছ ড় ই চলছ matter?

ক গজপত র ছ ড় ই চলছ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment