একাদশ শ্রেণিতে প্রায় ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন খালি থাকবে
এক দশ শ র ণ ত প - আসন্ন শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়া আগামী বছরের মতোই চলমান থাকবে। এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ওপর
Table of Contents
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নতুন তথ্য ও খালি আসনের হিসাব
Banglaprabah.com – এক দশ শ র ণ ত প – আসন্ন শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়া আগামী বছরের মতোই চলমান থাকবে। এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ এবং মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে এবার পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় অর্ধেকেরও বেশি আসন খালি থাকবে। প্রায় ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন খালি থাকবে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উপলক্ষে আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি–সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য জানান ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান।
ভর্তি প্রক্রিয়া ও নিয়মাবলি
ভর্তি কার্যক্রম আগের মতোই। লটারিও না, ভর্তি পরীক্ষাও না অর্থাৎ প্রচলিত যে বিধান মানে জিপিএ এবং শিক্ষার্থীদের চাহিদার (পছন্দক্রম) ভিত্তিতে আসন বরাদ্দ হবে। বিগত কয়েক বছর ধরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি দিয়ে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। পরে শিক্ষার্থীর ফলাফল, কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং পছন্দক্রম বিবেচনায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে। এই পদ্ধতিতে শুধু কলেজ ও মাদ্রাসার ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি পৃথক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হবে। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসার এই পদ্ধতিতেই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
পরীক্ষার ফলাফল ও আসন সংখ্যা
সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, ২০২৫ সালে যত শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল তাদের তুলনায় ২০২৬ সালে ভর্তির ক্ষেত্রে আসন সংখ্যা কিছু বেশি শূন্য থাকবে। সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে (কলেজ ও মাদ্রাসা) ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। গতবার ভর্তি হয়েছিল মোট আসনের ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থাৎ খালি ছিল ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ। এ বছর পাসের হার আরেকটু কমেছে। সে ক্ষেত্রে আসনসংখ্যা আরেকটু বেশি শূন্য থাকবে। আজ ১০ আগস্ট ২০২৬ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পরীক্ষার্থী। প্রায় সাত লাখ পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এই তথ্য বলছে যদি কারিগরি বোর্ডসহ সব বোর্ডের উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীও ভর্তি হয় তাহলেও ১৩ লাখ ৬১ হাজারের মতো আসন খালি থাকবে। অন্যান্য বছরও আসন খালি থাকে। তবে এবার পাসের হার কম হওয়ায় খালি আসনের সংখ্যা আরও বাড়বে।
ভর্তি কার্যক্রম আগের মতোই। লটারিও না, ভর্তি পরীক্ষাও না অর্থাৎ প্রচলিত যে বিধান মানে জিপিএ এবং শিক্ষার্থীদের চাহিদার (পছন্দক্রম) ভিত্তিতে আসন বরাদ্দ হবে।
২০২৫ সালে যত শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল তাদের তুলনায় ২০২৬ সালে ভর্তির ক্ষেত্রে আসন সংখ্যা কিছু বেশি শূন্য থাকবে।
এসএসসি ও সমমানে জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬, এগিয়ে ছাত্রীরা। সরকার পরিবর্তনের পর একাদশ শ্রেণিতেও ভর্তি পরীক্ষা চালু হতে পারে কি না, তা নিয়ে আলোচনা ছিল।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is এক দশ শ র ণ ত প?
এক দশ শ র ণ ত প is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does এক দশ শ র ণ ত প matter?
এক দশ শ র ণ ত প matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
