Uncategorized

একাত্তরে সৈয়দপুরের গোলাহাটে গণহত্যার স্বীকৃতি দাবি

একাত্তরে সৈয়দপুরের গোলাহাটে গণহত্যার স্বীকৃতি দাবি এক ত তর স য়দপ র র - নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরের গোলাহাটে একটি স্মৃতিস্তম্ভ অবিচ্ছেদ হয়েছে। এটি বিহারি ও

Desk Uncategorized
Published June 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

একাত্তরে সৈয়দপুরের গোলাহাটে গণহত্যার স্বীকৃতি দাবি

এক ত তর স য়দপ র র – নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরের গোলাহাটে একটি স্মৃতিস্তম্ভ অবিচ্ছেদ হয়েছে। এটি বিহারি ও পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নিহত ৪৫০ জন হিন্দু ও মাড়োয়ারি মানুষের স্মৃতি রক্ষার জন্য নির্মিত হয়েছিল; কিন্তু এখনো সেটি পূর্ণ হয়নি। এই গণহত্যার স্বীকৃতি বিষয়ে আবার বেসরকারিভাবে বিতর্ক উঠেছে গোলাহাট গণহত্যার দিবসে।

শনিবার রাজধানীতে এশিয়াটিক সোসাইটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি সমারোহপূর্ণ সভা। এতে গণহত্যার স্বীকৃতি ও বিচার প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছিল। সভায় জেনোসাইড জাস্টিস অ্যান্ড রিসার্চ ফোরাম ও বাংলা ভুবন ঐকতান সংগঠনের নেতারা অংশ গ্রহণ করেছিলেন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সৈয়দপুরের গোলাহাটে মানবসভ্যতার ইতিহাসের এক নির্মম অধ্যায় সংঘটিত হয়েছিল। অনুষ্ঠানে এই বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দেন জেনোসাইড জাস্টিস অ্যান্ড রিসার্চ ফোরামের নির্বাহী পরিচালক খালিদা আক্তার। তিনি বলেন, সিলেটের আদিত্যপুর, নীলফামারীর কালীগঞ্জ ও নাটোরের ছাতনীতে গণহত্যার বিস্তারিত প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছিল।

খালিদা আক্তার বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় গোলাহাটে শত শত মানুষ ভারতে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ট্রেনে তোলা হয়েছিল। তবে এই ট্রেন গোলাহাট এলাকায় থামিয়ে তাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় অন্তত ৪৫০ জন মানুষ নিহত হন। নারী, পুরুষ ও শিশু কেউ কেউ এ হত্যাযজ্ঞ থেকে রক্ষা পাননি।

অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেবউননেছা। তিনি বলেন, গণহত্যার ঘটনায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় রাজাকার ও স্বাধীনতাবিরোধী সহযোগীরাও অংশ নেয়। শরণার্থীদের দুই ভাগে ভাগ করে গুলি করে হত্যা করা হয় কালীগঞ্জে। নাটোরের ছাতনীতে রাতে গ্রাম ঘেরাও করে ঘুমন্ত মানুষদের হত্যার পর মরদেহ শনাক্ত কঠিন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন গবেষক ফউজুল আজিম। তিনি বলেন, ইতিহাসের সত্যকে অস্বীকার করে না যথাযথ স্বীকৃতি ও বিচার নিশ্চিত করাই জাতির প্রতি প্রকৃত দায়বদ্ধতা। এসব গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও শহীদদের স্মৃতি রক্ষার জন্য রাষ্ট্রের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান হয়।

বাংলা ভুবন ঐকতানের প্রধান সমন্বয়কারী রুশো রকিব বলেন, যে জাতি তার ইতিহাস ও সংস্কৃতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, সে জাতি কখনো টিকে থাকতে পারে না। সেই কারণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণহত্যার ই

Leave a Comment