১৬ বছরের নিয়োগ-পদোন্নতিতে অনিয়ম খুঁজে দেখবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
১৬ বছর র ন য় গ পদ – বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষা প্রক্রিয়ায় প্রয়োগ করা হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্বারা দুর্নীতি বিরোধী ব্যবস্থা প্রবর্তনের আগ্রহ। অনিয়ম খুঁজে দেখার জন্য গত ১৬ বছরে নিয়োগ ও পদোন্নতি ক্ষেত্রে সংঘটিত সমস্যার তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ প্রজ্ঞাপন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন দ্বারা জারি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই সংগঠনে তদন্ত কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা দিতে আগ্রহী।
তদন্ত কমিটির গঠন ও দায়িত্ব
প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে অনিয়ম তদন্ত কমিটি সিন্ডিকেটের ১১১তম সভার সিদ্ধান্তে গঠিত হয়েছে।
এই কমিটি প্রধান তদন্তকারী হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. সাইফুজ্জামান হিরোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তিনি আজ থেকে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করবেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সব তথ্য ও উপাত্ত পর্যালোচনা করবেন এবং তিন মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন। এই তদন্ত দ্বারা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির সম্ভাব্য অবদান নির্ধারণের চেষ্টা করা হবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রক্রিয়া ক্ষেত্রে দায়িত্ব
তদন্ত কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মশিরুল ইসলামকে সহায়তা করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিবেন। এ কমিটির দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়া খারাপ প্রথার কোনো পরিচয় বা সমস্যা খুঁজে বার করা। তদন্ত কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটি বিশেষ কক্ষ বরাদ্দ করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির কার্যক্রমে কোনো কর্মচারী বা শিক্ষক থেকে সার্বিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই তদন্ত কমিটিকে সামগ্রিক সহযোগিতা প্রদান করবে। আসলে, এই কমিটির প্রধান হিসেবে মো. সাইফুজ্জামান হিরোকে আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে, যিনি বর্তমানে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পরিচিত। তিনি কমিটির দ্বারা অনুসন্ধান করা হবে যে কোনো নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির কোনো পরিচয
