উন মত ত জনত র মনস তত: ভূমিকা এবং প্রক্রিয়া
উন মত ত জনত র মনস তত বিষয়টি জার্মান নাৎসি বাহিনীর সঙ্গে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল যার ফলে সামরিক অবতরণ এবং আবেগের মধ্যে সীমানা অতিক্রম করে টিকে থাকে। তারিখ, দলিল বা বিবরণী বিশাল ক্ষেত্রে কাজ করে কিন্তু কিছু মুহূর্তে সম্পূর্ণ বাস্তবতা ও আবেগের মধ্যে প্রকাশ পায় একটি ছবির মধ্য দিয়ে যে সময়ের সীমানা অতিক্রম করে টিকে থাকে।
ডি-ডে অভিযান এবং স্বাধীনতার সংকট
ডি-ডে অভিযান বিশাল সামরিক অবতরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল যা ফ্রান্সের মুক্তির প্রক্রিয়া চালু করে। বিশেষ করে তারিখের মাধ্যমে এ অভিযান মূলত জার্মান নাৎসি বাহিনীকে দখলমুক্ত করতে সাহায্য করে। নরম্যান্ডির সমুদ্রতীরে সমুদ্র থেকে প্রবেশ করা মিত্র সেনাবাহিনী অত্যন্ত তীব্র যুদ্ধ হয়ে থাকে।
১৯৪৪ সালের আগস্ট মাসে ফ্রান্সের প্রধান শহর পারিস মুক্ত হয়। বিশাল আনন্দ ও উৎসবের প্রকোষ্ঠ হতে শুরু হয়। যদিও শীতকালে পাহাড়ি অঞ্চলে যুদ্ধ চলছিল, তবু ধীরে ধীরে ফরাসি জনগণ বিভিন্ন গ্রাম ও শহর পুনরুদ্ধার করে। মে মাসে জার্মানি আত্মসমর্পণ করলে ফ্রান্স আবার স্বাধীন হয়। এই সময়ে উন মত ত জনত র মনস তত বিষয়টি আগের হতাশা ও আশার মধ্যে প্রকাশ পায়।
উন মত ত জনত র মনস তত প্রক্রিয়ায় নারী ও পুরুষ উভয়েই জার্মানদের সহযোগিতা করেছিল। সামরিক সহযোগিতা বিষয়টি রাজনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে অভিযোগের প্রতিক্রিয়া হিসেবে প্রকাশ পায়। বিশেষ করে নারীদের জন্য নির্ধারিত হয়েছিল একটি বিশেষ অপমানজনক কর্মকাণ্ড।
ফ্রান্সে জার্মানদের সহযোগিতা করেছিল নারী ও পুরুষ উভয়েই। পুরুষদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল রাজনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা নিয়ে। নারীদের জন্য নির্ধারিত হয়েছিল একটি বিশেষ অপমানজনক কর্মকাণ্ড।
এই অপমান প্রক্রিয়ার নাম ‘হরাইজন্টাল কলাবোরেশন’ দেওয়া হয়। অর্থাৎ জার্মান সৈন্যদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছিল নারীদের ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে মাথার চুল কেটে ফেলা হতো। এটি বিখ্যাত ‘লা তোঁত’ নামে �
