Uncategorized

ইন্টারনেট ইতিহাসের ১২টি অবিস্মরণীয় প্রথম ঘটনা

ইন ট রন ট ইত হ স - বর্তমান ডিজিটাল যুগের ভিত্তি একদিনে গড়ে ওঠেনি। ই-মেইল, ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগের মতো ছোট ছোট উদ্ভাবনই আজকের ইন্টারনেট জগৎকে রূপ

Desk Uncategorized
Published August 10, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Pakistan
Foto : William Jones - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. ইন্টারনেটের ইতিহাসে ১২টি স্মরণীয় প্রথম ঘটনা
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

ইন্টারনেটের ইতিহাসে ১২টি স্মরণীয় প্রথম ঘটনা

Banglaprabah.com – ইন ট রন ট ইত হ স – বর্তমান ডিজিটাল যুগের ভিত্তি একদিনে গড়ে ওঠেনি। ই-মেইল, ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগের মতো ছোট ছোট উদ্ভাবনই আজকের ইন্টারনেট জগৎকে রূপ দিয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির ইতিহাসের এই ১২টি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ঘটনা সম্পর্কে জানা যাক।

ই-মেইল ও ডোমেইনের সূচনা

১৯৭১ সালে রাই টমলিনসন নিজের কাছেই প্রথম ই-মেইলটি পাঠান। তিনি সঠিকভাবে মনে রাখতে পারেননি বার্তাটি কী ছিল, তবে তাঁর ধারণা এটি ইংরেজি অক্ষর QWERTYUIOP দিয়ে লেখা একটি সাধারণ টেস্ট মেসেজ ছিল। এরপর ১৯৮৫ সালের ১৫ মার্চ ইন্টারনেটে প্রথমবারের মতো একটি ডোমেইন নাম নিবন্ধিত হয়। ‘সিম্বোলিক্স ডটকম’ নামের এই ঐতিহাসিক ডোমেইনটি বর্তমানে একটি ঐতিহাসিক ওয়েবসাইট হিসেবে সংরক্ষিত আছে।

ওয়েবের জন্ম ও প্রথম ছবি

সাধারণ মানুষের কাছে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের তথ্য পৌঁছে দিতে ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট বিশ্বের প্রথম ওয়েবসাইটটি উন্মুক্ত করা হয়। ওয়েবসাইটটির ঠিকানা ছিল info.cern.ch/hypertext/WWW/TheProject.htm। এটি ইন্টারনেতের এক নতুন যুগের সূচনা করে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের উদ্ভাবক টিমোথি বার্নার্স-লি ইন্টারনেটে প্রথম ছবি আপলোড করেন। তিনি লেস হরিবল সার্নেটস নামক একটি কমেডি গানের ব্যান্ডের পক্ষ থেকে ছবিটি পোস্ট করেন। এর মাধ্যমে ওয়েবে তথ্য আদান-প্রদানের পাশাপাশি দৃশ্যমান ছবি যুক্ত হওয়ার পথ উন্মুক্ত হয়।

মেসেজিং ও বিজ্ঞাপনের ইতিহাস

১৯৯৩ সালের ৬ জানুয়ারি টেড লিওনসিস তাঁর স্ত্রীকে প্রথম এওএল ইনস্ট্যান্ট মেসেজ পাঠান।

বার্তাটি ছিল: ‘ভয় পেয়ো না, এটি আমি’

স্ত্রী উত্তর দেন, ‘বাহ দারুণ তো’। পরবর্তী সময়ে এই লিওনসিস বিখ্যাত তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এওএলের ভাইস চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হন। অনলাইন জগতে প্রথম ব্যানার বিজ্ঞাপনটি প্রকাশ করেন জো ম্যাকক্যাম্বলি। ১৯৯৪ সালের অক্টোবর মাসে হটওয়েয়ার্ড ডটকম ওয়েবসাইটে তা লাইভ করা হয়। বিখ্যাত টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান এটিএন্ডটির পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মিত বিজ্ঞাপনে মোট সাতটি শিল্পজাদুঘরের প্রচারণা চালানো হয়েছিল।

ই-কমার্সের প্রথম দিন

১৯৯৫ সালে ইবে অকশনওয়েব নামে পরিচিত ছিল। এর মাধ্যমে বিক্রি হওয়া প্রথম পণ্যটি ছিল একটি ভাঙা লেজার পয়েন্টার। এটি ১৪ দশমিক ৮৩ ডলারে বিক্রি হয়। ক্রেতা ইবের প্রতিষ্ঠাতা পিয়েরে ওমিদিয়ারকে জানিয়েছিলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে নষ্ট বা ভাঙা লেজার পয়েন্টার সংগ্রহ করতে বেশ ভালোবাসেন। একই বছরে প্রতিষ্ঠিত জনপ্রিয় অনলাইন শপ অ্যামাজন থেকে প্রথম কেনা বইটি ছিল ডগলাস হফস্ট্যাডটারের লেখা একটি জটিল গবেষণাগ্রন্থ। বইটির নাম ছিল ‘ফ্লুইড কনসেপ্টস অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ অ্যানালজিস: কম্পিউটার মডেলস অব দ্য ফান্ডামেন্টাল মেকানিজম অব থট’।

ভিডিও ও সামাজিক যোগাযোগের যুগ

২০০৩ সালের এপ্রিল মাসে ভিডিও ও ভয়েস কলিং প্ল্যাটফর্ম স্কাইপে উচ্চারিত হওয়া প্রথম বাক্য ছিল এস্তোনীয় ভাষায়। বাক্যটি ছিল, ‘তেরে, কাস সা কুলেড মাইন্ড?’ এর সহজ বাংলা অনুবাদ হচ্ছে ‘হ্যালো, আপনি কি আমাকে শুনতে পাচ্ছেন?’

ফেসবুকে যুক্ত হওয়া প্রথম ব্যক্তি হচ্ছেন মার্ক জাকারবার্গ। নিজের ৪ নম্বর আইডি দিয়ে ফেসবুকে যুক্ত হন তিনি। প্রথম তিনটি অ্যাকাউন্ট ফেসবুকের কার্যকারিতা পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্যবহৃত হওয়ার জন্য নিজের ৪ নম্বর আইডি ব্যবহার করেছিলেন জাকারবার্গ। চারজন সহপ্রতিষ্ঠাতার বাইরে ফেসবুকে যোগ দেওয়া প্রথম সাধারণ সদস্য ছিলেন অরি হাসিত।

২০০৫ সালের ২৩ এপ্রিল ইউটিউবের সহপ্রতিষ্ঠাতা জাভেদ করিম স্যান ডিয়েগো চিড়িয়াখানা থেকে বিশ্বের প্রথম ইউটিউব ভিডিও আপলোড করেছিলেন। ‘মি অ্যাট দ্য জু’ শিরোনামের ভিডিওটি পরবর্তী সময়ে কোটি কোটিবার দেখা হয়েছে এবং ইতিহাস তৈরি করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্স আগে টুইটার নামে পরিচিত ছিল। টুইটারের সহপ্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি ২০০৬ সালের ২১ মার্চ বিশ্বের প্রথম টুইট প্রকাশ করেন। সেই টুইটে লেখা ছিল ‘জাস্ট সেটিং আপ মাই টুইটার’। এই সংক্ষিপ্ত পোস্টের মাধ্যমেই খুদে ব্লগিংয়ের এক নতুন যুগের সূচনা হয়।

সূত্র: ইয়াহু

Frequently Asked Questions

What is ইন ট রন ট ইত হ স?

ইন ট রন ট ইত হ স is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ইন ট রন ট ইত হ স matter?

ইন ট রন ট ইত হ স matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment