Uncategorized

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত মোটেই সঠিক হয়নি: শফিকুর রহমান

আদ দ ব ন হ সপ লাইসেন্স বাতিল সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি আদ দ ব ন হ সপ ত কার্যত ছয় নবজাতকের মৃত্যু ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে লাইসেন্স বাতিল করা সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি বলে

Desk Uncategorized
Published June 12, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

আদ দ ব ন হ সপ লাইসেন্স বাতিল সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি

আদ দ ব ন হ সপ ত কার্যত ছয় নবজাতকের মৃত্যু ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে লাইসেন্স বাতিল করা সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি বলে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান তীব্র প্রতিবাদ করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করে তিনি দাবি জুটিয়েছেন যে, তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা চিরাচরিত ব্যবস্থা করা হয়নি।

তদন্তে অবহেলা প্রমাণ করতে হবে বলে আবেদন

শফিকুর রহমান জানান, আদ দ ব ন হ সপ তে ছয় শিশুর মৃত্যু ঘটনার প্রতি কর্তৃপক্ষের তীব্র ধারণা ছিল। তবে লাইসেন্স বাতিল করার সিদ্ধান্তে কোনো ত্রুটি বা অপরাধের প্রমাণ ছাড়াই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি তুলে ধরেছেন যে, হাসপাতালটি তাদের সম্প্রদায়ের স্বার্থ ও গৃহীত অনুমোদন করে দেওয়ার জন্য কোনো সামগ্রিক তদন্ত করা প্রয়োজন।

“আদ দ ব ন হ সপ তে ছয় শিশুর মৃত্যু ঘটনার কারণে লাইসেন্স বাতিল করা প্রমাণ করতে হবে যে হাসপাতালটি কোনো অবহেলা করেনি। কিন্তু তার বিপরীতে তদন্ত পরিচালনা করে কোনো সামগ্রিক কার্যক্রম নেওয়া সম্পূর্ণ সঠিক নয়।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জবাব দিয়েছেন না বলে দাবি

শফিকুর রহমান দাবি করেছেন যে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই ঘটনার প্রতি কোনো প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন না। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, আদ দ ব ন হ সপ তে কর্মরত মেডিকেল শিক্ষার্থী এবং নার্সিং কোর্সের ছাত্রদের কাছে অপ্রতিক্রিয়া বিধান করা হয়েছে। এর ফলে হাসপাতালটির কর্মকর্তারা তাদের সম্প্রদায়ের স্বার্থ চাপিয়ে বাস্তবায়ন করেছেন।

তিনি আরও বলেছেন যে, হাসপাতালটির স্থায়ী সংস্থান ব্যবস্থা করা হয়েছে যেখানে সম্ভবত বিশ থেকে তেত্রিশ শিশু প্রতিদিন কাজে লাগে। আদ দ ব ন হ সপ তে এখন কাজ চালু রয়েছে যে বিশেষজ্ঞদের সাথে সম্পর্ক বিস্তারের বিধান রয়েছে।

লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হয়েছে কেন?

আদ দ ব ন হ সপ তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বাতিল করার সিদ্ধান্তে জামায়াতে ইসলামীর আমির সংকট ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই হাসপাতালে কোনো অপরাধ বা ত্রুটি না প্রমাণ করে লাইসেন্স বাতিল করার পদক্ষেপ যথার্থ হয়নি।

হাসপাতালটির নির্বাহী পরিচালক শেখ মহিউদ্দীন সম্পর্কে যে তিনি প্রথমে দুর্ঘটনার প্রতি সতর্ক হয়েছিলেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি কোনো সামগ্রিক তদন্ত করার প্রয়োজন দেখিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে, হাসপাতালটি কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়া সামগ্রিক ধরণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি কত কর্মী বরাবর বিশ্বাস করেছিল?

আদ দ ব ন হ সপ তে স্থানীয় জনগণ একটি গৃহীত অনুমোদন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিশ্বাস করেছিল। তাঁদের মতে এই হাসপাতালটি নিরাপদ সেবা প্রদান করছিল। তবে লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে যেখানে কর্মীদের ক্ষোভ ছড়ানো হয�

Leave a Comment