প্রথম আলো র গোল্লাছুট নামক স্তম্ভে ২০০৬ সালের ২৩ জুনে প্রকাশিত হয়েছিল
একট প প ল র আর কট – একটা পা পেলের আরেকটা ম্যারাডোনার প্রাথমিক সংকেত দিয়ে সম্পূর্ণ একটি স্থাপনা হয়েছে যে দুই জানালার মধ্যে কী বিশাল কাহিনী কবুল করেছে। প্রথম আলো অনলাইন কার্যক্রম এখনও শুরু হয়নি বলে লেখাটি ছাপা পত্রিকার পাতাজুড়ে ছিল। কিন্তু এখন অন্য আলো র অনলাইন পাঠকদের জন্য তা প্রথমবারের মতো উপস্থাপিত হয়েছে যে দুই বৃহৎ ক্রিকেটার এবং খেলোয়াড়ের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশংসাকে নতুন করে আবৃত করে।
খেলার উপর চাপ বৃদ্ধি
সমিত ভাইয়া একটা পা পেলের আরেকটা ম্যারাডোনার যে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে খেলছিলেন সে পরিস্থিতি ক্রিকেট মাঠে নতুন খেলার দৃশ্য তৈরি করেছিল। শৌনকরা করে ফেলল দুই উইকেটে ৪৭ রান। সমিত ভাইয়া এবার পরিষ্কার প্রমাণ করে ফেললেন যে তাঁর সাথে একটা পা পেলের আরেকটা ম্যারাডোনার সংগ্রাম করে পেলে যখন খেলত, তখন ম্যারাডোনার জন্ম হয়নি। তিনি বলেছিলেন, “ম্যারাডোনার ফুটেজ দেখিসনি? ছয়ের সঙ্গে সঙ্গেই খেলা খতম হয়ে গেছে।” সেই বিপর্যয়ে তাঁর চোখে পড়ে গেল একটি গোল্পনা যা কেবল দুই খেলোয়াড়ের ভক্তদের মধ্যে বিশেষ প্রাধান্য অর্জন করেছিল।
এ প্রশ্নগুলো আলোচিত হয় স্কুলে, পাড়ার মাঠে। এখন মাঠে কেউ ব্যাট-বল হাতে ক্রিকেট খেলতে যায় না। ফুটবলই একমাত্র খেলা। মাঠেও সবচেয়ে বড় যুদ্ধ হয় একটা পা পেলের আরেকটা ম্যারাডোনার কে যে পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। তাঁদের ছবি প্রায় এক সময়ে গোল্লাছুট নামক স্তম্ভের পাতায় ছাপা হয়েছিল, কিন্তু অনলাইন মাধ্যমে নতুন দর্শকদের মাঝে তা এখন বিশেষ প্রতিকূল প্রভাব ফেলছে।
জয় ভাইয়া প্রতিবাদ করেছিলেন, “ম্যারাডোনার ফুটেজ দেখিসনি? ছিয়াশিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কী গোলটাই না দিল ছয়ের সঙ্গে সঙ্গেই খেলা খতম হয়ে গেছে।” কিন্তু সমিত ভাইয়ার বিপর্যয় ছাড়া সে বিষয়টি বিশ্বাস করেননি যে পেলের খেলা প্রথম আলো র গোল্লাছুট নামক স্তম্ভে যে সামান্য পরিস্থিতি তৈরি করেছিল।
পেলে আর ম্যারাডোনার প্রতিযোগিতা
বিশ্বকাপ শুরু হয়ে গেছে। রাতে সবার চোখ টেলিভিশনের দিকে। কেমন খেলছে আর্জেন্টিনা? কেমন খেলছে ব্রাজিল? ইতালি, জার্মানি, ইংল্যান্ড পারবে তো? এ প্রশ্নগুলো আলোচিত হয় স্কুলে, পাড়ার মাঠে। আর এখন মাঠে কেউ ব্যাট-বল হাতে ক্রিকেট খেলতে যায় না। ফুটবলই একমাত্র �
