উত্তম কৃষি চর্চা ও খাদ্য ব্যবস্থা: টেকসই বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত
উত তম ক ষ চর চ ও – ২৮ জুন ২০২৬ ঢাকার প্রথম আলো কার্যালয়ে হেইফার ইন্টারন্যাশনাল ও প্রথম আলোর উদ্যোগে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উত্তম কৃষি চর্চা ও খাদ্য ব্যবস্থার সম্পর্কে আলোচনা হয় এবং এটি টেকসই বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলির সমন্বয়ে চালানো হচ্ছে তা ঘোষণা করা হয়।
উৎপাদন ও বিপণন কার্যক্রম
২০২০ সালে উত্তম কৃষিচর্চা নীতিমালা প্রণয়নের পর কাজ শুরু হয়েছে। মানদণ্ড চূড়ান্ত হওয়ার পর কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৫টি প্রতিষ্ঠান সহযোগে সামগ্রিক পরিচালনা চালানো হচ্ছে। এর মধ্যে উৎপাদনের পাশাপাশি বাজারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা বৈঠকে আলোচিত হয়।
জেলা পর্যায়ে উত্তম কৃষিপণ্যের বিপণন কর্নার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকার কৃষক বাজারে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদনের জন্য প্রচেষ্টা চলছে। গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করা হয়।
“কৃষক যেন তাঁর উৎপাদিত নিরাপদ পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান, এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ কৃষক লাভবান না হলে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে আগ্রহী হবেন না,” বলেন নূরুন নাহার কান্ট্রি ডিরেক্টর, হেইফার ইন্টারন্যাশনাল।
সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তি প্রয়োগ
উৎপাদন বন্ধ করে দিলে আমদানিনির্ভর হতে হবে এবং খাদ্যের দাম বেড়ে যাবে। তাই কৃষিকে টেকসই করতে হলে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচারাল সার্টিফিকেশন বডি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রকাশনা প্রণয়ন করেছে।
সামগ্রিক কৃষি সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। প্রতিটি সমবায়ে প্রায় এক হাজার সদস্য রয়েছে। নারী কৃষকদের সংগঠিত করেছে এবং তাঁদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা সহায়তা করা হচ্ছে। ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করে তাঁদের আর্থিক প্রয়োজন পূরণের প্রচেষ্টা চলছে।
পরিচালন ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল গবেষণা সমন্বয়, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে দেশে উত্তম কৃষিচর্চা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জাতীয় উত্তম কৃষিচর্চা স্কিমে মানদণ্ড ও ফসল
